শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধ নয়, শিক্ষকদের বদলি করে দেব: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন পরীক্ষার্থী নেই কিংবা একজন শিক্ষার্থীও পাস করবে না, সেগুলোর এমপিও (মাসিক পেমেন্ট অর্ডার) বন্ধ না করে বিকল্প পদ্ধতিতে শাস্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষা দেয় না কিংবা পরীক্ষা দিয়ে একজন শিক্ষার্থী পাস করতে পারে না, ওইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের অন্য স্কুলে বদলি করা হবে। আমরা বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির পদ্ধতি চালু করেছি, এটা এখানে প্রয়োগ করতে চাই।’
আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সম্মানের পরীক্ষা। এর আগে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে কেন্দ্রপ্রধানদের দিকনির্দেশনা দিতে শিক্ষা বোর্ডগুলো পরিদর্শন করছেন শিক্ষামন্ত্রী। এরই অংশ হিসেবে আজ চট্টগ্রামে কেন্দ্রপ্রধানদের সঙ্গে কথা বললেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘একটি স্কুলে ন্যূনতম চার লাখ টাকা এমপিও (মাসিক পেমেন্ট অর্ডার) দিতে হয়। অর্থাৎ একটা স্কুল বা কলেজে বছরে ৪৮ লাখ টাকা বেতন দিচ্ছে সরকার। এ ছাড়া, বোনাস তো রয়েছেই। অথচ সেখান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষা দেবে না— এভাবে চলতে পারে না। আমি এই অপচয় বন্ধ করতে চাই ‘
শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মন্ত্রী। জানান আরও কঠোর পদক্ষেপের কথা। মন্ত্রী যোগ করেন, যেসব শিক্ষক নিজের সন্তানকে নিজের স্কুলে পড়াশোনা করান না, তাদেরও অন্য স্কুলে বদলি করে দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে তার ভাষ্য, আপনি যদি নিজের সন্তানকে নিজের প্রতিষ্ঠানে না পড়ান, তবে অন্যের সন্তানকে কী পড়াবেন? সেখানে কোনো দরদ তৈরি হবে না।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন। এ ছাড়া, বোর্ডের আওতাধীন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।




