আ.লীগের মিছিল
গুলশান থানার ওসি প্রত্যাহার

গুলশান থানার সামনে থেকে তোলা- ফাইল ছবি
রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মিছিলের পর গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা আদেশে আজ বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে মো. দাউদ হোসেনকে পুলিশ সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হলো।
গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান-১ এর ভোলা মসজিদ ও ৩ নম্বর সড়কের মুখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন। পুলিশ বাধা দিলে মিছিল থেকে ছোড়া হয় ককটেল ও ইটপাটকেল।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে এবং ঘটনাস্থল থেকে ককটেলসহ দুজনকে আটক করে। এই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা হয়। বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৭২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি।
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন, দূতাবাস ও কূটনীতিকদের আবাসস্থলঘেরা গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কীভাবে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মী জড়ো হলেন, তা নিয়ে উঠে প্রশ্ন। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা নিয়েও চলে আলোচনা। গুঞ্জন ওঠে, গুলশান থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।
এর মধ্যেই গতকাল সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলছিলেন, পুলিশের কোনো গাফিলতি ছিল না। মিছিলটির বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য ছিল দাবি করে তিনি বলেন, ‘পুলিশ শুক্রবারের ওই নির্দিষ্ট সময়ে বিষয়টি সঠিকভাবে অনুধাবন বা বুঝতে সক্ষম হয়নি। এটাকে সরাসরি গোয়েন্দা ব্যর্থতা বলার সুযোগ নেই। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে’।
এর মধ্যেই আজ প্রত্যাহার হলেন গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন।





