ছায়ানটে ‘খুলনা একাত্তর : আমার মুক্তিযুদ্ধ’

ছায়ানট মিলনায়তনে শ্রব্য-দৃশ্য-কাব্য পরিবেশনা। ছবি : আগামীর সময়
‘খুলনা একাত্তর: আমার মুক্তিযুদ্ধ’ শিরোনামে ছায়ানট মিলনায়তনে শ্রব্য-দৃশ্য-কাব্য পরিবেশন করেছে ‘কথা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র’। দীপা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা অবলম্বনে নির্মিত প্রযোজনাটিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি পরিবারের শরণার্থী হয়ে যাত্রার গল্প উঠে এসেছে।
দীপা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বইটি ২০১৪ সালে বেঙ্গল থেকে প্রকাশিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের এই অন্য পিঠের খুব সামান্যই মঞ্চ, সিনেমা ও তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে বলে জানান আয়োজকেরা। যুদ্ধকালীন সম্মুখসারির মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি শরণার্থী শিবির, উদ্বাস্তু মানুষের যাত্রা এবং সারা বাংলাদেশের মানুষের সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাসও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জরুরি—এমন ভাবনা থেকেই প্রযোজনাটি মঞ্চে উপস্থাপন করেছে কথা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র।
গান ও বর্ণনাত্মক কাহিনিনির্ভর এ প্রযোজনায় আলো ও আবহসংগীতের সহযোগে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে শরণার্থী হয়ে একটি পরিবারের যাত্রার পুরো চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।
দীপা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখাটি মঞ্চ উপযোগী সম্পাদনা করেছেন আশরাফুল হাসান বাবু। নির্দেশনা দিয়েছেন ড. তিতাস রোজারিও।
অনুষ্ঠান শেষে স্বাধীন বাংলা বেতারের শিল্পী দীপা বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়, লেখক-সংগঠক মফিদুল হক এবং স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক আশরাফুল আলম ও ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন।
আয়োজকদের ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধ যখন আজ অনেকের কাছে ধূসর কোনো দূরদেশের গল্প, তখন ‘খুলনা একাত্তর: আমার মুক্তিযুদ্ধ’ প্রযোজনাটি সেই সময়ের জীবন্ত চরিত্রগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে তাঁদের জীবনের মহত্তম সত্য ও সাক্ষ্য তুলে ধরেছে।








