নব্য জেএমবির সদস্য আরিফের ৬ দিনের রিমান্ড

সংগৃহীত ছবি
ঢাকার সাভারে বিস্ফোরকসহ গ্রেপ্তার নব্য জেএমবির সদস্য মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার থানার পরিদর্শক নুর মোহাম্মদ।
রিমান্ডের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছিল সিটিটিসি। গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পারে, নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যরা বিস্ফোরক দ্রব্যসহ নাশকতার উদ্দেশ্যে সাভারের ট্যানারি শিল্প এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ।
ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে সাভারের বিসিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যানারি এস্টেটের পশ্চিম দেয়ালসংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা কয়েকজনের দিকে পুলিশ এগিয়ে গেলে অন্যরা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে আরিফ ওরফে ইমরানকে আটক করা হয়। আটকের পর আরিফের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করে বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, বোমা তৈরির স্টিল পাইপ, চাপাতি, সুইচ গিয়ার নাইফ, ব্যাটারি ও একটি নকিয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, নিরাপত্তার স্বার্থে একটি বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু ঘটনাস্থলেই নিষ্ক্রিয় করা হয়। পরবর্তী সময়ে আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে বিভিন্ন ধরনের তরল রাসায়নিক, রাসায়নিক পাউডার, পটাশিয়াম নাইট্রেট, বারুদ মিশ্রিত কটন বার, বৈদ্যুতিক তার, ডেটোনেটর, রিমোট ও কন্ট্রোলার, পাইপ বোমার ধ্বংসাবশেষ, বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং জিহাদসংক্রান্ত কয়েকটি বই উদ্ধার করা হয়।
পরে শুনানি শেষে আদালত তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে আরিফের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
এর আগে বুধবার নাশকতার পরিকল্পনা ও চেষ্টা, বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় সিটিটিসির এসআই আলমগীর হোসেন সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরানসহ মো. নাজমুল হাসান মামুন, মো. আব্বাস আলী, রাখী ও রাকিবকে আসামি করা হয়।







