১৫ আগস্টে নাশকতার পরিকল্পনা, আরও ২২ আসামি রিমান্ডে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
১৫ আগস্ট নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ভাটারা থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার আরও ২২ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এ নিয়ে মামলাটিতে গ্রেপ্তার ৫২ আসামিরই রিমান্ড মঞ্জুর হলো।
রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, মো. ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, মো. ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।
আজ আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। আসামিপক্ষে আইনজীবী ইসলাম মিয়া রাকিব রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট প্রথম দফায় যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালাসহ ১৫ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে ২৩ আগস্ট আরও ১৫ আসামির এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লকের ২৮ নাম্বার সড়কের একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন ও তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়। পরে এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ভাটারা থানায় মামলা করে পুলিশ।
পরদিন ১৪ আগস্ট ৫২ আসামিকে কারাগারে আটক রাখার পাশাপাশি আইনের সংঘাতে আসা দুই শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৫২ আসামিকে কারাগারে এবং দুই শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
এরপর গত ১৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান ৫২ আসামির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন।
মামলার বিবরণে পুলিশ উল্লেখ করেছে, আটক ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৫ আগস্ট উপলক্ষে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিল সফল করতে তারা সেখানে সমবেত হয়েছিলেন। পুলিশের অভিযোগ, তারা নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, সমবেত ব্যক্তিরা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেন।







