প্রতিক্রিয়া
‘শতভাগ খুশি, দ্রুত ফাঁসি দেখতে চাই

রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা
আদালতের এজলাসে তখন পিনপতন নীরবতা। বিচারক পড়ছেন খুনি দম্পতির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ আর কাঠগড়ার বাইরে মাথা নিচু করে অঝোরে কাঁদছিলেন এক বাবা। তিনি আব্দুল হান্নান মোল্লা, ধর্ষণের পর হত্যার শিকার শিশু রামিসার বাবা। তবে রায় ঘোষণা শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হয়েই বদলে গেল তার সেই কান্নার রঙ। শূন্যে দুই আঙুল উঁচিয়ে দেখালেন বিজয়ের চিহ্ন। ভাঙা গলায় বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, রায়ে আমি শতভাগ খুশি। এবার শুধু খুনিদের দ্রুত ফাঁসি দেখতে চাই।’ এ চিত্র গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতে আসেন আব্দুল হান্নান মোল্লা। বুকভরা কষ্ট আর চোখভরা জল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন রায়ের জন্য। বেলা ১১টায় বিচারক রায় পড়া শুরু করলে বাবার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকে পানি। ৪০ মিনিট পর যখন বিচারক খুনি সোহেল ও স্বপ্নার ফাঁসির আদেশ দেন, তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন হান্নান মোল্লা। রায়ের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় রামিসার বাবা বলে ওঠেন, ‘আল্লাহ পাকের রহমত ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ের মধ্যেই আমরা কাঙ্ক্ষিত রায় পেয়েছি।’
রামিসার বাবা বিচারক, পুলিশ প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী এবং দেশের আপামর জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে বললেন, ‘ইনশাআল্লাহ, আমি শতভাগ আশাবাদী— এই রায় দ্রুত কার্যকর হবে।’
আদালত প্রাঙ্গণে রামিসার বাবার সঙ্গে তার স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর স্বস্তির পাশাপাশি তাদের একটাই দাবি— রায় যেন উচ্চ আদালতে ঝুলে না থাকে।




