ছিনতাইয়ের পর সবজি ব্যবসায়ীকে খুন, দুজনের যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি
রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানা এলাকায় সবজি ব্যবসায়ীকে ছিনতাইয়ের পর খুনের মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার নবম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল ইসলাম এ রায় দেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও ৯ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তবে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার এ তথ্য জানান।
দুই আসামি হলেন—বাবু ওরফে বাঘা বাবু এবং মামুন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাঁচামাল কেনার জন্য যাত্রাবাড়ী আড়তে যান। সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। ভোর ৫টার দিকে গেন্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকায়। তারা তার কাছে থাকা টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। চুন্নু মিয়া আসামিদের চেনেন মর্মে জানান। একথা শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে গেন্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেন্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুকে অভিযুক্ত করে একই বছরের ১৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন গেন্ডারিয়া থানার এসআই মনিরুজ্জামান। ওই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
বিচার চলাকালে আদালত ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। তবে বিচার চলাকালে আসামি সজিব মারা যান। পরবর্তী সময়ে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।






