হত্যা মামলা
জামিন মিলল না ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান মামুনের

আদালত থেকে ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান শেখ মামুন খালেদকে কারাগারে নিয়ে যান পুলিশ সদস্যরা । ছবি: আগামীর সময়
বিএনপির কর্মী মকবুল হত্যার অভিযোগে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় করা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদের জামিন নামঞ্জুুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয় মামুন খালেদকে। এরপর আসামি মামুনকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিমের উপপরিদর্শক তোফাজ্জল হোসেন। আসামি মামুনের পক্ষে জামিন প্রার্থনা করেন আইনজীবী নজরুল ইসলাম পাখি ও আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহিন। উভয় শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গত ২৫ মার্চ মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় লে. জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে। পরদিন ২৬ মার্চ মিরপুর মডেল থানার জুলাই আন্দোলনে নিহত দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় প্রথম দফায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। পরে এই মামলায় গত ৩০ মার্চ দ্বিতীয় দফায় তার ছয় দিন ও গত ৬ এপ্রিল তৃতীয় দফায় মঞ্জুর করা হয় তিন দিনের রিমান্ড।
এই মামলায় রিমান্ড শেষে গত ৯ এপ্রিল তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। ওইদিন পল্টন মডেল থানার মকবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর মঞ্জুর করা হয় তিন দিনের রিমান্ড। তিনদিনের রিমান্ড শেষে গত ১২ এপ্রিল তার আরও একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর একদফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। এর আগে ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে অভিযান চালায় এবং ভাঙচুর করেন ডিবি পুলিশের হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমার। কার্যালয়ের পাশে থাকা হাজার হাজার নেতা-কর্মীর ওপর চালানো হয় হামলা। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান মকবুল হোসেন নামে বিএনপির এক কর্মী। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে মামলা করেন শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের বিরুদ্ধে।

