তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়েই জোবায়েদকে হত্যা

জোবায়েদ হোসাইন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় তার ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। গত ৩০ জুন বংশাল থানার এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। আজ বুধবার মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু এ তথ্য জানান।
অপর দুই আসামি হলেন— বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, এটি তাৎক্ষণিক কোনো হামলা ছিল না; বরং এক মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সুযোগের অপেক্ষার পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। এছাড়া তদন্তে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদ ও মাহিরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ও উঠে এসেছে। জোবায়েদের সঙ্গে বর্ষার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১৫, নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলা বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে গিয়ে খুন হন তিনি। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছাত্রী বর্ষার বাসার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় একদিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা করেন। এরপর প্রায় ৯ মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আশরাফ হোসেন।




