রাজধানীর বাড্ডায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আসামি মনির হোসেনকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছবি : আগামীর সময়
রাজধানীর মধ্য বাড্ডা এলাকায় স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় স্বামী মনির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. সাদেকীন হাবীব বাপ্পী এ রায় দেন। দণ্ডের পাশাপাশি তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. আবুল কাশেম এ তথ্য জানান।
এদিন কারাগার থেকে আসামি মনিরকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে বিচারক রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত ১৪ জুলাই আসামির জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৩ সালের দিকে মনির হোসেনের সাথে শাকির খাতুন সোমা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর কিছুদিন তারা সুখে-শান্তিতে বসবাস করে।
কিছুদিন যেতে না যেতেই মনির ও তার পরিবারের সদস্যরা সোমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতে শুরু করে। ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর দুপুর দেড়টার দিকে টাকা-পয়সা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বাধে।
একপর্যায়ে মনির ছুরি দিয়ে সোমার গলা কেটে ফেলেন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় সোমার মা মোসা. আক্তার বানু ওইদিনই বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্তকর্তা বাড্ডা থানার এসআই বায়েজীদ বোস্তামী।
২০১৮ সালের ১৭ মে মনিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।




