Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের আলোর দিশারি বীথি
সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

কোরবানিতে বিশ্বে শীর্ষে বাংলাদেশ

শম্পা বিশ্বাস
শম্পা বিশ্বাস
agamir somoy
প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৬:৫৫
কোরবানিতে বিশ্বে  শীর্ষে বাংলাদেশ

ছবি : মহুবার রহমান

বিশ্বের ধনী মুসলিম দেশ সৌদি আরবে ৩৫ জনে একটি কোরবানি। আর বাংলাদেশে ১৫ জনে একটি। অর্থাৎ, কোরবানিতে সৌদিকেও ছাড়িয়ে বাংলাদেশ।

শুধু কি সৌদি আরব? সারা বিশ্বে কোরবানিতে বাংলাদেশ শীর্ষে। পেছনে পড়ে রয়েছে জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়াও।

সৌদি আরবের প্রত্যেক নাগরিক শুধু সচ্ছলই নন; বরং একাধিক পশু কোরবানি দেওয়ার মতো  অর্থশালীও। অথচ দেশটিতে প্রতি বছর পশু কোরবানি হয় মাত্র ১০ থেকে ১৫ লাখ। এ সংখ্যার মধ্যে হাজিদের কোরবানি করা পশু অন্তর্ভুক্ত। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন কোটি। এ জনগোষ্ঠীর তুলনায় পশু কোরবানির হার এত কম কেন? কারণ, সেখানে পশু কোরবানি হয় সমন্বিতভাবে। বাংলাদেশের মতো ঘরে ঘরে বা প্রতিটি সামর্থ্যবান পরিবারের আলাদাভাবে কোরবানি দেওয়ার সংস্কৃতি নেই সেখানে।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। বিপুল এ জনগোষ্ঠীর দেশে কোরবানি হয় কোটির ওপরে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে দেশে পশু কোরবানি হয়েছে ৯১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৪টি। এর মধ্যে ৪৭ লাখ গরু ও মহিষ। আর বাকি ৪৪ লাখ ছাগল, ভেড়া ও অন্যান্য। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সেবার পশু কোরবানি কম হয়েছে। ২০২১-২৪ সাল পর্যন্ত ক্রমাগত পশু কোরবানি বেড়েছে। তথ্য বলছে, ২০২১ সালে দেশে কোরবানি করা পশুর সংখ্যা ছিল ৯০ লাখ ৯৩ হাজার। পরের বছর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৯ লাখ ৫০ হাজার। ২০২৩ সালে এক কোটির বেশি পশু কোরবানি হয়েছে। আর ২০২৪ সালে এ সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৪ লাখ।

বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ মুসলিম। সে হিসাবে দেশে ১৫ কোটির বেশি মুসলমান রয়েছে। ফলে দেশে প্রতি ১৫ জন মুসলিমের বিপরীতে একটি পশু কোরবানি হয়।

বাংলাদেশে কেন এত বেশি পশু কোরবানি হয় জানতে চাওয়া হয়েছিল অর্থনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল বায়েসের কাছে। তিনি বিপুলসংখ্যক পশু কোরবানি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে উল্লেখ করে আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ধর্মীয় বিশ্বাসের চেয়েও পারিবারিক মর্যাদা এবং অর্থনৈতিক একক আধিপত্য দেখাতে অনেকেই পশু কোরবানি দেয়। ধনী বা বুর্জোয়া শ্রেণির কাছে এটা একটা প্রতিযোগিতা। অথচ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে কোরবানি হয়। সমন্বিত কোরবানি হয় বলে সে সংখ্যা অনেক বেশি নয়।’ মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দিয়ে তিনি কোরবানিকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার কথাও বলেছেন। যত্রতত্র পশু কোরবানি না দিয়ে নির্ধারিত জায়গায় পশু কোরবানি দেওয়ার গুরুত্বের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন তিনি। একই সঙ্গে সমন্বিত পশু কোরবানির ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন।

বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে কোরবানির চিত্র পাকিস্তান: পাকিস্তানে প্রতি বছর গড়ে ৭০-৮০ লাখ পশু কোরবানি হয়। পাকিস্তান ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (পিটিএ) এবং স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

তুরস্ক: তুরস্কে প্রতি বছর আনুমানিক ৩৫ থেকে ৩৮ লাখ গবাদি পশু কোরবানি দেওয়া হয়। এ তথ্য দিচ্ছে দেশটির ধর্মবিষয়ক অধিদপ্তর এবং তুর্কি রেড ক্রিসেন্ট। সংখ্যার বিচারে এটি বাংলাদেশের মোট এক-তৃতীয়াংশ।

ইন্দোনেশিয়া: আয়তনের দিক থেকে ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় ১৩ গুণ বড়। যার জনসংখ্যা প্রায় ২৯ কোটি। দেশটির ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং তাদের জাতীয় বার্তা সংস্থা আন্তারার (ANTARA) প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বছরে ইন্দোনেশিয়ায় পশু কোরবানির হয় ২০ থেকে ২৫ লাখের মতো।

সৌদি আরব: জেদ্দা চেম্বার অব কমার্স এবং সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে পাওয়া গেছে, দেশটিতে প্রতি বছর পশু কোরবানি হয় মাত্র ১০ থেকে ১৫ লাখ।

ভারত: ভারতে মুসলমান আছে প্রায় ২১ কোটি। কিন্তু কত পশু কোরবানি দেওয়া হয়, তার কোনো সরকারি তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্যে জানা যায়, সে সংখ্যাটি বাংলােদশের কাছাকাছি।

ইরাক, ইরান, কাতার, ইউএইসহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর জনসংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম। দেশগুলোতে কোরবানির সংখ্যাও কম।

কেন অন্যান্য মুসলিম দেশে কোরবানির হার কম

বাংলাদেশে মূলত পারিবারিক মর্যাদা ও ব্যক্তিগত ধর্মীয় আবেগের সঙ্গে কোরবানি গভীরভাবে জড়িত। এখানে সামর্থ্যবান প্রায় প্রতিটি পরিবারই যৌথভাবে কোরবানি দেওয়ার চেয়ে নিজের নামে বা পরিবারের সদস্যদের নামে এককভাবে পশু কোরবানি দেয়। ফলে কোরবানির পশুর সংখ্যা বাড়ে। আবার বাংলাদেশে প্রতি বছর এককভাবে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ছাগল-ভেড়া কোরবানি হয়। ফলে কোরবানির পশুর মোট পরিসংখ্যান এক কোটি পার হয়ে যায়।

ইন্দোনেশিয়ায় অনেকে সচ্ছল পরিবার হলেও আলাদাভাবে, এমনকি নিজের বাড়ির সামনেও এককভাবে পশু কোরবানি দেয় না। সেখানে পুরো সমাজ বা মহল্লা মিলে স্থানীয় মসজিদ কমিটিকে টাকা দেয়। তারা যৌথ তহবিল দিয়ে সীমিতসংখ্যক বড় পশু (যেমন গরু) কিনে কোরবানি দেয়। বিশেষ করে গরুর ক্ষেত্রে সাতজন মিলে ভাগাভাগি করে বা সমন্বিত কোরবানি দেওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি দেশটিতে। যে কারণে কোরবানি দেওয়া পশুর সংখ্যা কোরবানিদাতার চেয়ে কম হয়। আবার পাকিস্তানেও যৌথ কোরবানির হার অনেক বেশি। সেখানে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলো মিলে সাধারণত সাত ভাগে একটি বড় গরু বা মহিষ কোরবানি দেয়।

এ ছাড়া মুসলিম দেশের মধ্যে সৌদি আরব এবং তুরস্কের নিজস্ব জনসংখ্যা বাংলাদেশের চেয়ে কম হলেও দেশ দুটিতে মোট জনসংখ্যার তুলনায় পশু কোরবানির হার অনেকটাই কম। এর পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা, নগরায়ণ এবং ধর্মীয় অনুশাসনের ভিন্নতা। তুরস্কে যত্রতত্র, রাস্তার মোড় বা বাড়ির গ্যারেজে পশু জবাই করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সেখানে শুধু সরকার নির্ধারিত যান্ত্রিক কসাইখানায় কসাইদের মাধ্যমে কোরবানি দেওয়া যায়। কড়াকড়ির কারণে দেশটির বেশিরভাগ নাগরিকই ব্যক্তিগতভাবে পশু কেনার ঝামেলায় যেতে চান না। এ ছাড়া তুর্কি নাগরিকদের মধ্যে নিজে পশু না কিনে দাতব্য সংস্থায় টাকা দেওয়ার প্রবণতা বেশি। এ সংস্থাগুলো তুরস্কের বাইরে এশিয়া ও আফ্রিকার দরিদ্র মুসলিম দেশগুলোতেও পশু কোরবানি দেয়। ফলে তুরস্কের মূল ভূখণ্ডে পশু জবাইয়ের সংখ্যা অনেক কম। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় সৌদি আরবের জনসংখ্যা অনেক কম হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই দেশটিতে কোরবানির সংখ্যা কম। সৌদির নাগরিকরা অনেকেই সরাসরি পশু না কিনে বিভিন্ন চ্যারিটি ফান্ড বা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দেন। অনেক সময় পুরো একটি একান্নবর্তী পরিবার বা বংশের পক্ষ থেকে মাত্র একটি বা দুটি পশু কোরবানি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে কোরবানির চিত্র

প্রতি বছর বাংলাদেশে গড়ে এক কোটি পশু কোরবানি হয়। মোট পশুর প্রায় অর্ধেক থাকে গরু বা মহিষ। অর্থাৎ ৪৫ থেকে ৫০ লাখ। ইসলামি নিয়মানুযায়ী একটি গরুতে সর্বোচ্চ সাতজন শরিক হতে পারেন। বাংলাদেশে গড়ে একটি গরুতে চার থেকে পাঁচজন শরিক থাকেন। আর বাকি অর্ধেক থাকে ছাগল বা ভেড়া, যা এককভাবে একজন কোরবানি দেন। এ সমীকরণ অনুযায়ী, ছাগল বা ভেড়া বাবদ প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ লাখ মানুষ এবং গরু বা মহিষের ভাগের হিসাবে আরও প্রায় দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ কোরবানি দেন। অর্থাৎ, দেশে প্রত্যক্ষভাবে কোরবানিদাতার সংখ্যা প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি। এই কোরবানিদাতারা প্রত্যেকে একটি করে পরিবারের প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে দেখা যায়, দেশের প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার কোটি মানুষ সরাসরি কোরবানির সঙ্গে জড়িত। এই হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট মুসলিম জনসংখ্যার প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ মানুষ বা পরিবার সরাসরি কোরবানি দেয়।

বিপুল মানুষের অংশগ্রহণের ফলে কোরবানি তৃণমূল থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে। একক কোরবানির ফলে ওই সময় দেশে মাংসের যে জোগান তৈরি হয়, তা সব স্তরের মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শরীফুল হক আগামীর সময়কে বলেছেন, দেশে একক কোরবানির কারণে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি কোরবানি আমাদের ধর্মীয় সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। মানুষ কোরবানিকে প্রাধান্য দেন, ফলে কেউ অর্থনৈতিক চাপে থাকলেও তিনি চেষ্টা করেন কোরবানি দিতে। এ কারণেই কোরবানি করা পশুর সংখ্যা বাংলাদেশে অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।

এ বছর কোরবানির জন্য ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশুর সরবরাহ রয়েছে সারা দেশে। যার বিপরীতে চাহিদা রয়েছে এক কোটির মতো। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত থাকায় এবার কোরবানিতে পশুর সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই— বলছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

তুরস্কইন্দোনেশিয়াপশুকোরবানিশীর্ষে বাংলাদেশমুসলিম দেশ
    শেয়ার করুন:
    মহাকাশ অভিযানে চীনের ৩ নভোচারী

    মহাকাশ অভিযানে চীনের ৩ নভোচারী

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:০১

    সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও একপাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

    সংবাদ উপস্থাপনায় বড় টিপ ও একপাশে ওড়নায় নিষেধাজ্ঞা

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:০৯

    সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় সাবেক যুগ্ম জজ নিহত

    সুন্দরগঞ্জে ট্রাকচাপায় সাবেক যুগ্ম জজ নিহত

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:৪১

    হার দিয়ে শেষ সিটির গার্দিওলা অধ্যায়

    হার দিয়ে শেষ সিটির গার্দিওলা অধ্যায়

    ২৪ মে ২০২৬, ২৩:৪০

    কমলাপুর রেলস্টেশনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় কে-নাইন

    কমলাপুর রেলস্টেশনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় কে-নাইন

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:৪৩

    আবাসিক মাদরাসায় সিসিটিভি, পৃথক বেড ও কড়া নজরদারির সুপারিশ

    আবাসিক মাদরাসায় সিসিটিভি, পৃথক বেড ও কড়া নজরদারির সুপারিশ

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:৫৬

    কলার দোকান থেকে সবুজ ফণিমনসা উদ্ধার

    কলার দোকান থেকে সবুজ ফণিমনসা উদ্ধার

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:৩৬

    খাঁচায় কেন টিয়া, গুনতে হলো জরিমানা

    খাঁচায় কেন টিয়া, গুনতে হলো জরিমানা

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:১৭

    ঈদের দিন ৫ বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস

    ঈদের দিন ৫ বিভাগে ভারি বৃষ্টির আভাস

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:১৬

    জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

    জামালপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

    ২৫ মে ২০২৬, ০২:৩৭

    পার্বতীপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ১, আহত মা-শিশু

    পার্বতীপুরে ট্রাকচাপায় নিহত ১, আহত মা-শিশু

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:১৮

    নিষিদ্ধ আ.লীগ সভাপতির ভবনে থানা, পুনর্বাসনের অভিযোগ স্থানীয়দের

    নিষিদ্ধ আ.লীগ সভাপতির ভবনে থানা, পুনর্বাসনের অভিযোগ স্থানীয়দের

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:৫০

    ফতুল্লায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার

    ফতুল্লায় পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, মাদকসহ নারী গ্রেপ্তার

    ২৫ মে ২০২৬, ০০:০৫

    অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় মহেশপুর সীমান্তে ৮ বাংলাদেশি আটক

    অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় মহেশপুর সীমান্তে ৮ বাংলাদেশি আটক

    ২৫ মে ২০২৬, ০১:১৭

    ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

    ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

    ২৪ মে ২০২৬, ২২:২২

    advertiseadvertise