সুজানগরে পুলিশের ওপর হামলা, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতাদের নামে মামলা

সুজানগরে থানা পুলিশের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের হামলার ঘটনায় করা হয়েছে মামলা। ছবি: সংগৃহীত
পাবনার সুজানগরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে সুজানগর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক মামলা দুটি দায়ের করে।
দুই মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল ওহাবকে। এ ছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের উপজেলা সভাপতি আমিরুল ইসলামসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে করা হয়েছে নামীয় আসামি। দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল বা নাশকতার পরিকল্পনা করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টহল দল উপজেলার মথুরাপুরের দোপপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার পর একদল দুর্বৃত্ত পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশের ভাষ্য, সরকারি কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর এবং হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা প্রথম মামলায় ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি ও নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা দ্বিতীয় মামলায় ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবুকেও আসামি করা হয়েছে।
সুজানগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. লালবুর রহমান বলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’




