রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ডে সংসদে বিবৃতি দাবি ঐক্য পরিষদের

ছবি: আগামীর সময়
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি জাতীয় সংসদে বিবৃতি দাবি করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
শনিবার (২৯ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে সংগঠনটির নেতারা এ দাবি করেছেন।
ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি নির্মল রোজারিও’র সভাপতিত্বে এবং যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি শিমুল সাহার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন ঐক্য পরিষদের নেতা কাজল দেবনাথ, ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, মিলন কান্তি দত্ত, ডিএন চ্যাটার্জি, সাংবাদিক বাসুদেব ধর, মনীন্দ্র কুমার নাথ, জয়ন্তী রায়, পদ্মাবতী দেবী, অ্যাড. অপূর্ব ভট্টাচার্য প্রমুখ নেতারা।
তারা বলেন, একটি বিশেষ চক্র তাদের হীন উদ্দেশ্য ও স্বার্থ চরিতার্থের জন্য রংপুরের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করেছে বলে আমাদের ধারণা। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করা কিংবা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। হত্যাকণ্ডের ব্যাপারে পুলিশের বয়ান বিশ্বাসযোগ্য নয়।
তাদের ভাষ্য, রংপুরের হত্যাকাণ্ড শুধু স্থানীয় সংখ্যালঘুদের মধ্যে নয়, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
দেশে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা চলমান রয়েছে উল্লেখ করে ঐক্য পরিষদের নেতারা বললেন, অতীতের ধারাবাহিকতায় গত জুলাই মাসে পত্র-পত্রিকা থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে সারা দেশে ৪১টি (আংশিক) সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে রয়েছে হত্যা ৬টি, ধর্ষণ ২টি, মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ১০টি, ধর্ম অবমাননার দায়ে গ্রেপ্তার ২ জন; আদিবাসীদের ওপর হামলার ঘটনা ৫টি; বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ১০টি, জোরপূর্বক জমি দখলের ঘটনা ২টি ও অন্যান্য ঘটনা ৪টি।
পরে ঐক্য পরিষদের নেতারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে সেটি পুনরায় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।







