মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার, রিমান্ড শেষে কারাগারে শিক্ষক

আটক শিক্ষক মো. শিহাব হোসেন
রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ড শেষে শিক্ষক মো. শিহাব হোসেনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম। আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে আসামিপক্ষে কোনো আবেদন ছিল না।
এর আগে ২০ মে রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে শিহাবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন ২১ মে শুনানির শেষে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে রাত ১০টার দিকে রামপুরা থানাধীন বনশ্রীর সি-ব্লকে আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে আব্দুল্লাহ নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে জানা যায়- শিশুটি গলায় গামছা পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার করেছিল। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় দেখা যায়, তার পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের চিহ্ন।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা শিহাব নামের আরেক শিক্ষার্থীর কথা জানান। যিনি এর আগেও মাদ্রাসার ৪ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে অস্বাভাবিক যৌনাচারে লিপ্ত হয়েছে। কিন্তু আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর থেকে তিনি পলাতক। এ ঘটনায় আব্দুল্লাহর মা রামপুরা থানায় শিহাব ও অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় মামলা করেন।






