ডিএমপি
১৭ পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট, অমান্য করলে মামলা

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রবিবার (১২ এপ্রিল) ডিএমপির পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি।
গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এখন থেকে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংগুলোতে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। আইন অমান্যকারী যানবাহন ও পথচারীদের বিরুদ্ধে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নেওয়া হবে আইনি ব্যবস্থা ও হবে ডিজিটাল পদ্ধতির মামলা।
যেসব এলাকায় সিগন্যাল লাইট চালু হয়েছে
দুই সিটি করপোরেশন ও ডিএমপির সমন্বয়ে রাজধানীর বেশ কিছু পয়েন্টে আধুনিক ও অস্থায়ী ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো-
সিটি করপোরেশনের সিগন্যাল: হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, হোটেল সোনারগাঁও, ফার্মগেট পুলিশ বক্স, বিজয় সরণি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জাহাঙ্গীর গেট, গুলশান-১ ও গুলশান-২ ক্রসিং।
ডিএমপির অস্থায়ী সিগন্যাল: মানিক মিয়া এভিনিউ পশ্চিম প্রান্ত (আড়ং ক্রসিং), খেজুর বাগান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, মাজার রোড, আবুল হোটেল, মৌচাক, রায় সাহেব বাজার মোড় এবং লাভ রোড ক্রসিং (রাতের জন্য)।
এ ছাড়া হাইকোর্ট, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ, পুলিশ ভবন ও শাহবাগ ক্রসিংয়ে স্থাপিত সিগন্যালগুলো চালু হবে শিগগিরই।
নিরাপদ পারাপারে পেডেস্ট্রিয়ান সিগন্যাল
পথচারীদের জন্য পুরাতন রমনা থানা, হেয়ার রোডের অরুণিমা গেট, মিরপুর রোড (ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন), গাবতলী পুলিশ বক্স, রামপুরা ট্রাফিক পুলিশ বক্স ও কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানির সামনের জেব্রা ক্রসিংগুলোতে স্থাপন করা হয়েছে সেইফ পেডেস্ট্রিয়ান সিগন্যাল লাইট।
চালকদের জন্য নির্দেশনা
লাল বাতি জ্বললে স্টপ লাইনের পেছনে যানবাহন থামানো, হলুদ বাতি ও স্টপ লাইন মেনে চলা, উল্টো পথে গাড়ি না চালানো এবং বাম লেনে বা মোড়ে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা।
পথচারীদের জন্য নির্দেশনা
রাস্তা পারাপারে ফুটওভারব্রিজ, আন্ডারপাস বা জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করা এবং পেডেস্ট্রিয়ান সিগন্যাল থাকা স্থানে শুধুমাত্র সবুজ বাতি জ্বললে পার হওয়া।
গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সিগন্যাল বাতির পোলগুলোতে স্থাপন করা হচ্ছে উন্নত মানের সিসি ক্যামেরা।
এসব ক্যামেরার মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য করা, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা, বাম লেন আটকে রাখা কিংবা জেব্রা ক্রসিং ছাড়া রাস্তা পারাপার করা হবে শনাক্ত। এসব অপরাধের ক্ষেত্রে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী শিগগিরই ডিজিটাল মামলা দায়ের শুরু করবে ডিএমপি।















