সালিশে স্বেচ্ছাসেবক নেতাকে ছুরি মেরে হত্যা যুবদল নেতার

নিহত বিল্লাল হোসেন তালুকদার
ঢাকার মৌচাক এলাকায় সালিশ বৈঠকে ছুরির আঘাতে নিহত হয়েছেন রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭)। অভিযোগ উঠেছে যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ছুরির আঘাতে আহত বিল্লালকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত ৯টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
বিল্লালের বোনের ছেলে মোবারক হোসেন আকাশ জানালেন, সন্ধ্যায় আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন মিলে তাকে মারধর করে। এ ঘটনার পর তিনি মামা বিল্লাল হোসেনকে ডেকে আনেন। রাত ৮টার দিকে আনারকলি মার্কেটের সামনে ওই মারামারির ঘটনায় সালিশ বৈঠক বসে। তখন যুবদলের রমনা থানার আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও রমনা থানার সেক্রেটারি লুৎফরের সঙ্গে বিল্লালের তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বাবুর নেতৃত্বে তার ১০-১২ জন অনুসারী বিল্লালকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তাকে বাঁচানো যায়নি। নিহত বিল্লাল হোসেনের বাসা মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকায়। সেখানে তার বালু-সিমেন্টের ব্যবসা ছিল।
ডিএমপির রমনা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। সালিশকে কেন্দ্র করেই বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে তারাও জানতে পেরেছেন। তবে হত্যাকারীরা ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে, যোগ করলেন তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বিল্লালের মরদেহ আজ মঙ্গলবার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে




