বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান- ফাইল ছবি
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্মাবলম্বী নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবেন এবং সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
সোমবার রাজধানীর রামপুরা এলাকার হাতিঝিলে শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম হরিনাম মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বললেন, বাংলাদেশ সম্প্রীতির দেশ। এখানে ধর্মীয় বিভেদের কোনো স্থান নেই। সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবেন এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, অতীতের জাতীয় নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ছিল। ভবিষ্যতেও সেই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা করেন।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান, তিনি মনোনয়ন পান বা না–পান, প্রধানমন্ত্রী যাকে মনোনয়ন দেবেন, তার পক্ষেই হিন্দু সম্প্রদায়কে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান থাকবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল যাই হোক না কেন, তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবেন।
প্রশাসক আরও বলেছেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন প্রয়োজনে সিটি করপোরেশনে এলে তিনি সাধ্যমতো সহযোগিতা করার চেষ্টা করেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি দাবি করেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বসতবাড়ির নিরাপত্তায় তারা পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি মন্দির ও বাসাবাড়ির বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে রাখার আহ্বান জানান ডিএনসিসি প্রশাসক। তিনি বললেন, সিটি করপোরেশনের কর্মীরা সেখান থেকে বর্জ্য অপসারণ করবেন। ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।






