দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে : ড. আমানুল্লাহ

সংগৃহীত ছবি
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়িত্বশীল চর্চাই দেশ ও সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।
তিনি বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ এবং গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সংবাদ পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠতা ও সত্যতা বজায় রাখা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং। অপতথ্য ও ভুয়া সংবাদের ভিড়ে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের স্বাধীন, অনুসন্ধানী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আজ শনিবার রাজধানীর সার্কিট হাউস রোডে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) অডিটরিয়ামে ‘গণমাধ্যম বিষয়ক তিন মাসমেয়াদি সার্টিফিকেট কোর্স ২০২৬’-এর নতুন ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আমানুল্লাহ বলেন, ‘সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ যেমন সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে, তেমনি অসত্য তথ্য বা গুজব মুহূর্তেই সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে। তাই সাংবাদিকতার গুণগত মান রক্ষা, তথ্যের সত্যতা যাচাই ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি সামাজিক অঙ্গীকার ও মহৎ দায়িত্ব। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের (এআই) যুগে সাংবাদিকতার সামনে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ক্রমাগত নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. আমানুল্লাহর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ড. আমানুল্লাহর গতিশীল নেতৃত্বে নতুন উচ্চতায় এগিয়ে যাচ্ছে। বিগত সাত বছর ধরে পিআইবি যে দীর্ঘ সেশনজটের মুখোমুখি ছিল, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই স্থবিরতা কাটতে শুরু করেছে। শুধু পিআইবি নয়, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের কোর্স-কারিকুলাম প্রণয়নেও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
পিআইবির সহযোগী অধ্যাপক মনিরা শারমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে দুজন বক্তব্য দেন। এ সময় পিআইবির সমন্বয়ক, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রশিক্ষণার্থী সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।





