Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় মানুষের পাশে তাসলিমা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

গবেষণা

সংবাদমাধ্যম আর রাজনীতিকদের চাপে থাকে পুলিশ

  • গণমাধ্যমের সমালোচনায় মনোবল কমে, তবে সব সমালোচনা অযৌক্তিক নয়
  • জবাবদিহির ঘাটতি ও দুর্নীতিতে বাড়ছে অনাস্থা
সাইফুল ইসলাম
সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৭
শেয়ার করুন:
সংবাদমাধ্যম আর রাজনীতিকদের চাপে থাকে পুলিশ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজনৈতিক প্রভাবে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে পারছে না পুলিশ। অন্যদিকে, গণমাধ্যমে টানা নেতিবাচক প্রচারণা বাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা ও মনোবলে প্রভাব ফেলছে। অর্থাৎ সংবাদমাধ্যমের খবর আর রাজনীতিকদের খবরদারির চাপে থাকে পুলিশ। পুলিশের প্রতি আস্থাহীনতার পেছনে জবাবদিহির ঘাটতি এবং দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে।

পুলিশ স্টাফ কলেজের ‘পিএসসি জার্নাল’-এর দ্বাদশ খণ্ডের দ্বিতীয় সংখ্যায় (জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫) প্রকাশিত এক গবেষণায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।

সরকারের একজন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তিনি পুলিশকে রাজনৈতিক দলের লাঠিয়াল হিসেবে দেখতে পান কি না। তার সাফ জবাব— এজন্য খুব বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই; জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) প্রতিবেদন দেখলেই হবে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলন নিয়ে ওই দপ্তরের অনুসন্ধানে বলা হয়, আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত ছিল। রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় এসব ঘটনা ঘটার যুক্তিসংগত ভিত্তি পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্য— অতীতের সব সরকারই পুলিশকে লাঠিয়াল বাহিনীর ভূমিকায় নামিয়েছিল।

পিএসসি জার্নালের গবেষণায় বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের হাতিয়ার হিসেবে পুলিশকে বিবেচনা করা হলে বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং জনআস্থা কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে অপরাধের তথ্য দেওয়া, অভিযোগ দায়ের ও তদন্তে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও। অন্যদিকে, টেলিভিশন টকশোতে আলোচনা-সমালোচনা, বিভিন্ন অংশীজনের বক্তব্য এবং লেখকদের লেখায় পুলিশের নেতিবাচক চিত্র তুলে ধরাও বাহিনীর মনোবল ও গ্রহণযোগ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন তারা। পুলিশের বিষয়ে প্রচলিত ভিত্তিহীন ধারণা যাচাই ছাড়াই প্রচার করাকেও আস্থাহীনতার অন্যতম কারণ  হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে— টেলিভিশনসহ অন্যান্য গণমাধ্যমের টকশোগুলোতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রায়ই নেতিবাচক আলোচনা করা হয়— এটি ঠিক। যেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পক্ষপাত, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ ওঠে। এসব অনুষ্ঠানে পুলিশের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত থাকেন না। তাদের অংশ নেওয়ার জন্য ডাকা হলেও সাড়া মেলে না। আবার নেতিবাচক আলোচনা প্রচারের পরও পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর ব্যাখ্যা দেওয়া হয় না। ফলে দর্শকরা অভিযোগের একপক্ষীয় বক্তব্যই শোনেন। এতে পুলিশের প্রতি মানুষের নেতিবাচক ধারণা আরও বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তবে পুলিশের বিরুদ্ধে সব সমালোচনাকে ভিত্তিহীন বলার সুযোগ নেই। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রকাশ করা গণমাধ্যমের জবাবদিহিমূলক ভূমিকার অংশ। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জাতিসংঘের অনুসন্ধানও দেখিয়েছে— গুরুতর অভিযোগ যাচাইয়ে সংবাদচিত্র, ভিডিও, সাক্ষ্য ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ কতটা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পুলিশ স্টাফ কলেজের গবেষণায় সংকটের পেছনে দুর্নীতি, ঘুষ, হয়রানি, তদন্তে অনিয়ম এবং অভিযোগ নিষ্পত্তিতে স্বচ্ছতার অভাবের কথাও বলা হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান অনুযায়ী আইন প্রয়োগে ভিন্নতা দেখা গেলে ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না থাকলে দায়মুক্তির সংস্কৃতিও শক্তিশালী হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

পুলিশ রাষ্ট্রের বাহিনী; তা কোনো রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ নেই— জানিয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ওমর ফারুক আগামীর সময়কে বলেছেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার ব্যবহারে পুলিশ দলীয় হাতিয়ার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এতে বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ড. ওমর ফারুক বলছিলেন, পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

গঠনমূলক সমালোচনা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। একই সঙ্গে পুলিশের সীমিত সম্পদ, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব ও অতিরিক্ত কর্মভারও পেশাদারিত্ব এবং সেবার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাধা বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশিং সম্প্রসারণ এবং তথ্য-প্রমাণনির্ভর অপরাধ দমনে সুপারিশ করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ গ্রহণ, ভুক্তভোগীর সঙ্গে আচরণ, তদন্তে নিরপেক্ষতা এবং অভিযোগের প্রতিকার নিশ্চিত করাও জরুরি বলে উল্লেখ করা হয়েছে গবেষণায়।

পুলিশের সাফল্য শুধু গ্রেপ্তার বা মামলা নিষ্পত্তির সংখ্যা দিয়ে মূল্যায়ন না করে জনগণের সন্তুষ্টি, অভিযোগ নিষ্পত্তির মান, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকারিতাকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে গবেষণায়। পুলিশের মনোবল রক্ষা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসদাচরণের অভিযোগের কার্যকর তদন্তও জরুরি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, পুলিশকে শুধু আইন প্রয়োগকারী বাহিনী হিসেবে নয়, জনগণের সেবক ও সহযোগী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কারণ, ভয় দেখিয়ে সাময়িকভাবে আইন মানানো সম্ভব হলেও দীর্ঘমেয়াদে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন আস্থা ও ন্যায্যতা। এক কথায় উল্লেখ করা হয়েছে— ‘পুলিশের প্রকৃত শক্তি শুধু আইন প্রয়োগের ক্ষমতায় নয়; বরং জনগণের আস্থা ও স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা অর্জনের সক্ষমতায়।’

ভয় দেখানোর বিষয়টি উঠে এসেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের কথায়ও। তার কথা, জনগণকে ভয় দেখিয়ে নয়, ন্যায়সংগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও সেবার মাধ্যমে আস্থা অর্জনই হওয়া উচিত আধুনিক পুলিশিংয়ের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলছিলেন, পুলিশ সদস্যদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, প্রয়োজনীয় সম্পদ ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার কথা। এ সংকট কাটাতে পুলিশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং স্বাধীন তদারকি প্রয়োজন।

পুলিশের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি হলেও সব অপরাধ তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা কিংবা প্রতিটি সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব নয়। অপরাধ তদন্তে সময়, দক্ষতা, প্রযুক্তি, জনবল ও পর্যাপ্ত সম্পদের প্রয়োজন হয়। শুধু গ্রেপ্তার বা মামলা নিষ্পত্তির সংখ্যা নয়, এসব সীমাবদ্ধতা দূর করার দায়িত্ব যেমন রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের, তেমনি পুলিশেরও প্রয়োজন পেশাদারিত্ব ও সেবার মান উন্নত করা— এমনটিই বলা হয়েছে গবেষণায়।

গবেষণা বলছে, পুলিশের প্রতি সমালোচনা সবসময় অযৌক্তিক নয়। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সমালোচনা ও স্বাধীন অনুসন্ধান গুরুত্বপূর্ণ। তাই গঠনমূলক সমালোচনা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগকে আলাদা করে দেখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে জবাবদিহিমূলক সমালোচনা পুলিশকে দুর্বল করে না; বরং ভুল সংশোধন ও জনসেবা উন্নত করার সুযোগ তৈরি করে।

পুলিশের মনোবল রক্ষা, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, মানসিক সুস্থতা এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। তবে মনোবল রক্ষার নামে বৈধ সমালোচনা বন্ধ করা কিংবা অসদাচরণের অভিযোগ উপেক্ষা করার সুযোগ থাকা উচিত নয়। 

খবরপুলিশখবরদারিগবেষণানেতিবাচকআস্থাহীনতাঅভিযোগ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    রাজবাড়ীতে দুই প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    কোয়ার্টারের মাঠও অনিরাপদ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় জায়েদের

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে স্কুলশিক্ষিকার মৃত্যু, আহত স্বামী

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    কালীগঞ্জে ১৬ ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার দুই মরদেহ

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সুযোগ পাবেন এইচএসসি ফেল শিক্ষার্থীরা

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    দুই ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    এসএইচসি ও সমমানে পাস ৫২.১২%, প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থী ফেল

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    শিশুকে বলাৎকারচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বাগাতিপাড়ায় তিন কলেজে এইচএসসিতে পাস করেনি কেউ

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    বিএনপির প্রচারসামগ্রীর ‘আকাশযাত্রা’, আসামের ধানক্ষেতে ‘রাজনৈতিক অবতরণ’

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের পাসের হার ৯৯.৮৯ শতাংশ

    উত্তরের চিতাবাঘেরা ফিরতে চায়

    উত্তরের চিতাবাঘেরা ফিরতে চায়

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    বগুড়ার ৫ কলেজের সবাই ফেল, কারণ জানতে ইউএনওদের নির্দেশ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    আড়ালের মিনার মাহমুদ

    বদলে যাচ্ছে  জিয়া উদ্যান

    বদলে যাচ্ছে জিয়া উদ্যান