দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
পূর্বপুরুষের ভূপৃষ্ঠ মোহ ভেঙে ভূতল নেশায় নাচবেন ভবিষ্যৎ পৃথিবীর মানুষ। একালের চোখধাঁধানো অট্টালিকা; তলায়-তলায় সাজানো সুউচ্চ ভবন; বুর্জ খলিফা, টুইন টাওয়ারের হাঁকডাকও নাকি আর কদিনের! মাটির নিচের দুনিয়ায় ছুটবেন মানুষ। ২০৬৯ সালের কথা। আজকের পাতালপুরী হয়ে উঠবে ভবিষ্যতের মেট্রোপলিটন শহর। বিশ্বের সব বড় শহর গড়ে উঠবে ভূগর্ভে। সমাজের উঁচুশ্রেণির মানুষের ঠিকানাও হবে জমিনের গভীরে সুউচ্চ সব দালানে। এমনটাই ভবিষ্যদ্বাণী দিয়েছে ‘ফিউচার টাইমলাইন’ নামে একটি ওয়েবসাইট।
ভূমিদস্যু থাকবে তখনো। দখল চলবে সেখানেও। যার যত জমি থাকবে পাতালে, তত দাপট থাকবে তারও। মাটির নিচে যে শুধু বাড়ি হবে, তা নয়। থাকবে ব্যবসা-বাণিজ্যের দালান ও কারিগরি সরঞ্জামের জন্য বড় বড় টাওয়ার। এখানকার স্কাইস্ক্র্যাপারের মতোই সেগুলোর দাম্ভিক নাম হবে ‘আর্থস্ক্র্যাপার’। মাটির অনেক গভীরে, শত শত মিটার নিচে পর্যন্ত হবে এসব দালান। আকাশচুম্বীর বদলে হবে ভূচুম্বী। জমিনের গভীরে যদি আকাশস্বরূপ কিছু থাকে, তবে তাই ছোঁয়ার চেষ্টায়
ভবিষ্যদ্বাণী হিসেবে এসব নতুন নগরে থাকবে পারমাণবিক হামলা প্রতিরোধ ক্ষমতাও। এমনকি বৈশ্বিক জলবায়ু ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকেও রক্ষা করবে মাটির নিচের এসব শহর। মাটির ওপরের জলবায়ু পরিবর্তন, ক্ষতিকারক গ্যাস ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি থেকে মানবদেহ রক্ষা করতেই এমন শহরের ভাবনা মাথায় আসছে বিজ্ঞানীদের। যেহেতু মাটির ওপরের জীবন হয়ে উঠছে বেঁচে থাকার অযোগ্য, তাই তারা এখন নতুন পরিবেশ ও কায়দা উদ্ভাবন নিয়ে ব্যস্ত।
বর্তমানে লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, বেইজিংসহ অনেক দেশের শহরে রয়েছে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ ট্রেন। ছোট-বড় অনেক দোকানও রয়েছে সেই স্টেশনে। খাবার থেকে জামাকাপড়— সব বেচাকেনা হয় মাটির নিচের সেসব স্টেশনে। এ ব্যবস্থাগুলোই আরও বড় পরিসরে যুক্ত হবে পাতালপুরীর নগরায়ণে।



