Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিবিধ

প্লাস্টিক সার্জারির কারণে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা থেকে বাদ ২০ উট!

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪
প্লাস্টিক সার্জারির কারণে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা থেকে বাদ ২০ উট!

সংগৃহীত ছবি

আরব দেশগুলোতে উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের অংশ। বিশেষ করে ওমানে এ ধরনের আয়োজন বেশ জনপ্রিয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উটের মালিকরা তাদের সেরা উটগুলো নিয়ে আসেন ‘সবচেয়ে সুন্দর উট’ খেতাব জয়ের আশায়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রতিযোগিতা নানান কৃত্রিম সৌন্দর্যবর্ধনের কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ছে।

গত মাসে ওমানের আল মুসানায় অনুষ্ঠিত ২০২৬ উট সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা উৎসবে বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়ে। পশুচিকিত্সকদের পরীক্ষায় দেখা যায়, ২০টি উটের দেহে নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে কৃত্রিম পরিবর্তন আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সে সব উটকে অযোগ্য ঘোষণা করে। পরীক্ষায় বোটক্স, ঠোঁট ফিলার, সিলিকনের মাধ্যমে আকার পরিবর্তন এবং কৃত্রিম কুঁজ ফুলিয়ে তোলার মতো নিষিদ্ধ প্রক্রিয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।

উটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা আরবের ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উটের সৌন্দর্য নির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া হয় চকচকে লোম, লম্বা ও সুষম গলা, পূর্ণ ঠোঁট, লম্বা চোখের পাতা এবং দৃঢ় কুঁজের মতো বৈশিষ্ট্যের ওপর। আগে এসব গুণ উন্নত করতে প্রজননকারীরা প্রাকৃতিক উপায়ে বাছাই প্রজনন ও যত্নের ওপর নির্ভর করতেন। কিন্তু বর্তমানে দ্রুত সাফল্যের আশায় অনেকেই ঝুঁকছেন কৃত্রিম উপায়ের দিকে।

এ বছরের প্রতিযোগিতায় বিচারকরা দেখতে পান, কিছু উটের শারীরিক বৈশিষ্ট্যে কৃত্রিমভাবে রদবদল করা হয়েছে। কারও ঠোঁটে ফিলার নেওয়ার দাগ ছিল, কারও চেহারার পেশি শিথিল করতে বোটক্স নেওয়া হয়েছিল। আবার কিছু উটের নাকের গঠন পরিবর্তনে সিলিকন ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া কুঁজ ফুলিয়ে তোলা এবং পেশি দৃঢ় করতে গ্রোথ হরমোন ইনজেকশন দেওয়ার মতো নিষিদ্ধ পদ্ধতিরও প্রমাণ মেলে।

প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন এমন ঝুঁকিপূর্ণ পথে হাঁটছেন মালিকরা? এর প্রধান কারণ অর্থনৈতিক লাভ। এই প্রতিযোগিতাগুলোর বিজয়ীরা বিপুল অর্থমূল্যের পুরস্কার পান। পাশাপাশি বিজয়ী উটের প্রজনন অধিকার ও বিক্রির মাধ্যমে মালিকরা বড় অঙ্কের আয় করতে পারেন। ফলে জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতে অনেকেই অবৈধ পন্থা অবলম্বনে প্রলুব্ধ হচ্ছেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই ধরনের কসমেটিক হস্তক্ষেপ শুধু প্রতারণাই নয়, উটের স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। ফিলার ব্যবহারে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ সৃষ্টি হতে পারে, হরমোন ইনজেকশন শরীরে ভারসাম্যহীনতা ও প্রজনন সমস্যার কারণ হতে পারে। আর বোটক্স প্রয়োগ উটের স্বাভাবিক খাওয়া ও পানি পান প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় কৃত্রিম হস্তক্ষেপ শুধু নৈতিক প্রশ্নই তুলছে না, প্রাণীর কল্যাণ নিয়েও তৈরি করছে গভীর উদ্বেগ।

সূত্র: অডিটিসেন্ট্রাল

উটউটের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise