দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
জাদুঘর। এমন একটি জায়গা যেখানে কাচের বাক্সে ধারণ করা আছে সব ইতিহাস। পুরনো দিনের গল্প। বাক্সবন্দি সে ইতিহাসের নানান নিদর্শন দেখতে প্রতিদিন জড়ো হয় হাজারো মানুষ। অতীতের সেই ‘সুবর্ণ দিনগুলো’ দেখতে হয় দূরে দাঁড়িয়ে। পড়ে বুঝতে হয় আসলেই কেমন ছিল অতীত। তবে আসছে বছরগুলোয় বদলে যাবে বর্তমান জাদুঘরের রূপ। তখন ইতিহাস শুধু দেখাই হবে না, বাস্তবের মতোই আসবে অনুভূতিতেও। পলাশীর যুদ্ধ নিয়ে জাদুঘরে দাঁড়িয়ে পড়ার বদলে ভার্চুয়ালি চলে যাওয়া যাবে লড়াইয়ের ময়দানে। কিছুটা অসম্ভব মনে হলেও ২০৫০ সালের জাদুঘর হবে এমনটাই। প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার খেলা থাকবে সেখানেও। ভবিষ্যতের এ জাদুঘর নিয়ে আরও অনেক পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েবসাইট জেএফপি ডটকম।
সেখানে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতের জাদুঘর হবে এক প্রকার নাগরিক পরিচালনব্যবস্থা। ২৪ বছর পর এই প্রতিষ্ঠানের থাকবে ১০টি মূল থিম বা বিষয়বস্তু। সেই সময় জাদুঘর কোনো বস্তুর গুদাম হবে না; বরং হবে অর্থ, স্মৃতি, শিক্ষা, চিন্তা ও মানবিক সংযোগের এক সর্বজনীন অবকাঠামো। ভবিষ্যতে জাদুঘর হবে এমন একটি স্থান, যেখানে শিল্পধারণের পাশাপাশি অতীতকে বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে করা হবে ব্যাখ্যা। কেননা জেএফপি ডটকমের ধারণা ২০৫০ সালে মানুষ ডুবে থাকবে কৃত্রিম মিডিয়া, অ্যালগরিদমচালিত ফিড, এআই-সৃষ্ট সংস্কৃতি, অফুরন্ত বিনোদন এবং ব্যক্তিগতকৃত বাস্তবতার স্রোতে। সেক্ষেত্রে একমাত্র জাদুঘর হবে অন্যতম নির্ভরযোগ্য স্থান। যেখানে সত্যতা, প্রেক্ষাপট, ধীরস্থির চিন্তা, ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা, মানুষের কারুশৈলী এবং আবেগীয় গভীরতা ফুটে উঠবে এবং পাবে প্রশংসা ও শ্রদ্ধা। ভবিষ্যতে জাদুঘরে ঘুরতে গিয়ে মানুষ ঘুরে আসবে অতীতেও।




