দেখা যাক

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
অস্ট্রেলিয়ান ভবিষ্যৎবিদ ও লেখক ব্রেট কিংয়ের পূর্বাভাস সঠিক হলে ২০৫০ সালে পুরনো ব্যাংকগুলো হারিয়ে যাবে ইতিহাসের পাতা থেকে। সে সময় ডিজিটাল লেনদেন হবে ব্যাংকিংয়ের একমাত্র উপায়। ক্রিপ্টোকারেন্সি তখন কোনো বিলাসিতা নয়; বরং একটি সাধারণ প্রয়োজনীয়তা। চাইলেও যখন-তখন টাকা তোলা যাবে না এটিএম মেশিন থেকে! কেননা ভবিষ্যতে মেশিনটি শুধুই জাদুঘরের ধুলোমাখা প্রদর্শনী। আজ থেকে ২৪ বছর পরের ব্যাংক কেমন হতে পারে সে বিষয়ে ব্রেটের নানান ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে ২০২৩ সালে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন করে সাউথ আফ্রিকার ফিনটেক ওয়েবসাইট টিআইটিসি।
ব্রেটের ধারণা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্লাস্টিকের ব্যাংক কার্ড ও এটিএম বুথ মেশিন পাওয়া যাবে জাদুঘরের কোনো এক অংশে। আসছে বিশ্বে ব্যাংক কোনো ইট-কাঠের দালান নয়; বরং বাতাসের মতো অদৃশ্য এবং লুকিয়ে থাকবে প্রতিটি ব্যক্তির স্মার্টফোন ও ডিজিটাল যন্ত্রে। কাগজের নোটের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না ২০৫০ সালে। থাকবে শুধু প্রোগ্রামেবল মানি। ভবিষ্যতে মনে হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজে থেকেই নেবে প্রতিটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত। নিঃশব্দে সই করে ফেলবে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। প্রয়োজন হবে না কোনো ব্যক্তির হস্তক্ষেপ। সবকিছু চলবে স্বয়ংক্রিয় গতিতে। ব্রেটের মতে, ২০৫০ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত স্মার্ট অর্থনীতিগুলো ছাড়িয়ে যাবে প্রথাগত ব্যাংকিং সিস্টেমকে। ব্যাংক শাখার পরিবর্তে মোবাইল ওয়ালেট ব্যবহারের দিকে ঝুঁকবে ব্যবহারকারীরা। এতে প্লাস্টিক কার্ডের তুলনায় ‘স্মার্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্ট’-কে দেওয়া হবে প্রাধান্য। ব্রেট এমন এক ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দিয়েছেন, যেখানে স্মার্টফোন এবং স্টারলিংকের মতো প্রযুক্তির কল্যাণে সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে পাওয়া যাবে ইন্টারনেটে সব সুবিধা। এতে করে এ অঞ্চলে ফিনটেক খাতে উদ্ভাবনের পথ হবে আরও প্রশস্ত।



