হয়তো

অ্যান্টার্কটিকা, পৃথিবীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বরফে ঢাকা এক অপরূপ সৌন্দর্যের মহাদেশ। পেঙ্গুইন, সিল এবং নানান সামুদ্রিক প্রাণীর অনন্য আবাসস্থল। কিন্তু হঠাৎ একদিন দিনের শুরু হতেই সেখানকার পেঙ্গুইনগুলো লক্ষ্য করবে, তাদের বরফের রাজ্যে কিছু একটা গড়বড় হয়েছে। চারদিকে বরফ আছে ঠিকই, কিন্তু কিছু বরফ গলে পরিণত হচ্ছে পানিতে। সমুদ্রও যেন একটু একটু করে বাড়িয়ে নিচ্ছে জায়গা। পেঙ্গুইনদের হাতে অবশ্য কোনো আবহাওয়ার অ্যাপ নেই। সুযোগ নেই জরুরি বৈঠক ডাকারও! তবে মানুষের হাতে আছে বিজ্ঞান, গবেষণা, আর ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ। পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে ২০৭০ সালের অ্যান্টার্কটিকা আজকের পরিচিত চেহারা হারাতে পারে বলে আবারও উঠে এসেছে শঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (সিএসআইআরও) ২০১৮ সালে এই মহাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে তুলে ধরেছে দুটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি।
তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এ বিষয়ে একই বছরে ন্যাচারে প্রকাশিত হয় একটি গবেষণা। সেখানে উল্লেখ করা হয়, অ্যান্টার্কটিকার ভবিষ্যৎ হতে পারে বিপদের গল্প, আবার হতে পারে সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার গল্প। গবেষণা দলের দেওয়া প্রথম পরিস্থিতিতে, গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ বেশি থাকলে বাড়তে পারে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন। অ্যান্টার্কটিকার বরফের স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে পারে এবং পেঙ্গুইন ও সিলের মতো প্রাণীদের আবাসস্থল সংকুচিত হতে পারে। দূষণ, অতিরিক্ত মাছ ধরা এবং নিয়ন্ত্রণহীন পর্যটন পরিস্থিতিকে করে তুলতে পারে আরও কঠিন।



