আইআইটি ডিগ্রি কি সাফল্যের সিঁড়ি নাকি পারিবারিক ঐতিহ্য

ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি। ছবি : সংগৃহীত
ভারতের মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (আইআইটি) ভর্তি হওয়াকে দেখা হয় হাজারো শিক্ষার্থীর জীবনের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে।
তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুরু হওয়া একটি আলোচনা জন্ম দিয়েছে নতুন প্রশ্নের। আইআইটির একটি ডিগ্রি কি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের পথ দেখায় নাকি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাহায্য করে দীর্ঘমেয়াদী সুযোগ তৈরির ভিত্তি গড়তে?
বিতর্কের সূত্রপাত আকাশ সম্পূর্ণানন্দ পাণ্ডে নামের এক এক্স ব্যবহারকারীর পোস্টকে কেন্দ্র করে। তিনি একটি মন্তব্য শেয়ার করার পর শুরু হয় নতুন এই বিতর্কের।
মন্তব্যটি ছিল এমন ‘আপনি যদি আইআইটিতে পড়েন, এরপর আপনার ছেলেকেও আইআইটিতে পড়তে হয়, তাহলে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন’। আইআইটির এক অ্যালামনাই মিটে আকাশ শুনেছেন এমন কথা।
তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে শুরু হওয়া একটি আলোচনা জন্ম দিয়েছে নতুন প্রশ্নের। আইআইটির একটি ডিগ্রি কি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের পথ দেখায় নাকি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সাহায্য করে দীর্ঘমেয়াদী সুযোগ তৈরির ভিত্তি গড়তে?
বিতর্কের সূত্রপাত আকাশ সম্পূর্ণানন্দ পাণ্ডে নামের এক এক্স ব্যবহারকারীর পোস্টকে কেন্দ্র করে। তিনি একটি মন্তব্য শেয়ার করার পর শুরু হয় নতুন এই বিতর্কের।
‘আইআইটি একবার কাউকে এগিয়ে দেয়, আর তার পরবর্তী পুরো প্রজন্ম যেন এস্কেপ ভেলোসিটি অর্জন করে আরও অনেক দূরে চলে যায়। ১৯৮৫ সালের কোনো আইআইটি গ্র্যাজুয়েটের সন্তানরা কানপুর বা খড়গপুরে নয়, বরং পড়তে যায় স্ট্যানফোর্ড বা হার্ভার্ডে।
‘আকাশ পশ্চিমা এসব প্রতিষ্ঠানে পারিবারিক ঐতিহ্য, সামাজিক প্রভাব ও সাবেক শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্কের কারণে প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেই সুবিধা পেতে থাকে’, আমেরিকার হার্ভার্ডের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আইআইটির তুলনা টেনে বলছিলেন আকাশ।
‘অন্যদিকে আইআইটি মূলত মধ্যবিত্ত পরিবারের মেধাবী সন্তানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক মর্যাদা পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী ‘সিঁড়ি’ হিসেবে কাজ করে। ফলে এই সুবিধা পাওয়ার পরও যদি পরবর্তী প্রজন্মকে একই সিঁড়ি ব্যবহার করতে হয়, তবে ধরে নেওয়া হয় পূর্বসূরির সফলতা স্থায়ী রূপ পায়নি’, আকশের ভাষ্য।
পোস্টটি ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনরা হয়ে পড়েছেন দুই ভাগে বিভক্ত। অনেকেই এই যুক্তির তীব্র বিরোধিতা করে বলেছেন, ভারতের উচিত নিজেদের দেশে এমন বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় ও শহর গড়ে তোল, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষ গর্বের সঙ্গে বেছে নেবে।
অন্যদিকে আইআইটি ব্যবস্থার সমর্থকরা বলছিলেন, এর ভর্তি প্রক্রিয়া পুরোপুরি জেইই পরীক্ষার মেধার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়। অন্যান্য দেশের বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানে কোনো স্থান নেই ধনসম্পদ, পারিবারিক প্রভাব বা কোটার কোনো স্থান নেই।
সূত্র : এনডিটিভি







