যদি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হয়েছে মাত্র চারবার। এর মধ্যে ব্রাজিল জয় পেয়েছে দুটি, আর্জেন্টিনা একটি, অন্যটি ড্র। শেষ মুখোমুখি ১৯৯০ সাল। কিন্তু এই ইতিহাস এ দেশে ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে যেন থোরাই কেয়ার। এই দুই দলের সমর্থকরা বরং মুখোমুখি হয় প্রতি চার বছর অন্তর অন্তর। যদি চলতি বিশ্বকাপে এই দুটি দল সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়, তাহলে কী হবে? ভাবতেই অন্যরকম শিহরন জাগে।
জেনে রাখা ভালো, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ আমেরিকার এই দুই প্রতিবেশী দেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতির মধ্যে রয়েছে গভীর মিল। এই তথ্য বাংলাদেশের মানুষের অনেকের জানা থাকলেও বিশ্বকাপে সেই জানা কথাই অজানা হয়ে যায়।
বিশ্বকাপ এলেই উৎসবমুখর হয়ে ওঠে পুরো বিশ্ব। একই সঙ্গে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। এ দেশের ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকরা মূলত দুটি দল করেন। এক. তারা ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা করেন। দুই. ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে যে দলই খেলে তাদের সাপোর্ট করেন। তা সেটি ভুটান বা মালদ্বীপ— যে দেশই হোক। এ যেন ‘শত্রুর’ শত্রু হয়ে ‘বন্ধু’ হওয়ার শামিল। তুমুল এই উত্তেজনা চলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে গ্রামগঞ্জ বা শহর-নগরের চায়ের দোকান থেকে পাড়ায় পাড়ায়। এমনকি তীব্র উত্তেজনার জেরে মাঝেমধ্যে হাতাহাতি, মারামারির মতো দুঃখজনক ঘটনা ঘটে। তবে সেটি বিশ্বকাপ পর্যন্তই। বিশ্বকাপ শেষ, সব কিছু ঠিকঠাক আগের মতো।
৩৬ বছর ধরে দল দুটি বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হয় না। যদি হয়, তবে নেহাত মন্দ হবে না। মুখের তর্ক তখন মাঠের লড়াইয়ে গিয়ে প্রমাণিত হবে— কার কতখানি শক্তি!




