ভারতে ইসরায়েলি নারীকে ধর্ষণে ৩ ভারতীয়র মৃত্যুদণ্ড

এক ইসরাইয়েলি নারীসহ দুইজনকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। এ ঘটনায় তিজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার কর্ণাটকের একটি আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চে কোপ্পাল জেলায় সংঘটিত এই নৃশংস ঘটনায় দোষী সাব্যস্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়া হয়েছে।
ওই ঘটনায় মোট পাঁচজন ব্যক্তি হামলার শিকার হন। তাদের মধ্যে ছিলেন—মহারাষ্ট্র ও ওডিশা থেকে আসা দুই ভারতীয় নাগরিক, একজন আমেরিকান পর্যটক, একজন ইসরায়েলি পর্যটক এবং কোপ্পালের হোমস্টের মালিক, যিনি পর্যটকদের আতিথ্য করছিলেন।
ঘটনার দিন হোমস্টের মালিক পর্যটকদের নিয়ে দর্শনীয় স্থান ঘুরতে বের হন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে তিন অভিযুক্ত। মল্লেশ (হান্দিমল্লা), সাইকুমার এবং শরনবাসভারাজ দলটির কাছে এসে একটি ‘আর্থিক বিরোধ’ মীমাংসার কথা বলে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিষয়টি বাকবিতণ্ডা ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এরপর অভিযুক্তরা পর্যটক দলের তিন পুরুষ সদস্যকে পাশের একটি খালে ঠেলে ফেলে দেয় এবং দুই নারীকে গণধর্ষণ করে। খাল থেকে উঠে আসতে বাধা দিতে তারা পুরুষদের লক্ষ্য করে পাথরও ছুড়ে। এতে একজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, আমেরিকান পর্যটকের সহায়তায় একজন প্রাণে বাঁচলেও অপরজন খালে ডুবে মারা যান।
দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, হত্যা চেষ্টা, ডাকাতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।পাবলিক প্রসিকিউটর জানান,দণ্ডবিধির ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩ ধারায় বিচারক সাদানন্দ নাগাপ্পা নাইক তাদের হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি গণধর্ষণের অপরাধে তিনজনকে ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত’ কারাদণ্ড ভোগের নির্দেশ দেয়া হয়।

