কী জানি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন, ন্যাটো। বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী সামরিক জোট। তবে ২০৩৬ সালে এই জোট থাকবে না আজকের মতো। বড় ধরনের বদল আসতে পারে এটিতে। জোটটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ২০২৫ সালে একটি জরিপ পরিচালনা করে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের থিংক ট্যাংক, আটলান্টিক কাউন্সিল। ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। জরিপে অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ২০৩৬ সালে প্রভাব বাড়বে ন্যাটোর। আবার ৩৫ শতাংশ মনে করেন, প্রভাব কমবে। তবে সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, ৪৪ শতাংশ মনে করেন ন্যাটো ২০৩৬ সালে বর্তমান রূপে থাকবে না। তাদের মধ্যে আবার ৫১ শতাংশ মনে করেন, নতুন ন্যাটো হবে কম শক্তিশালী।
ন্যাটো সামরিক জোটে ইউরোপ এবং উত্তর যুক্তরাষ্ট্রের অনেক রাষ্ট্র মিলিয়ে আছে ৩২টি সদস্যদেশ। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশ মানুষ বিশ্বাস করেন সামরিক জোটটির কেন্দ্রীয় ও নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকায় থাকবে যুক্তরাষ্ট্র, যেটি জোটটির প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই ছিল। তবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য অংশ, ৩৯ শতাংশ মনে করেন এর বিপরীত। তাদের মতে ২০৩৬ সাল নাগাদ ন্যাটোতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বড় ভূমিকা থাকবে না। জরিপে অংশ নেওয়া সবার মধ্যে ৬৫ শতাংশের ধারণা, ওয়াশিংটন যদি সরে দাঁড়ায়, তাহলে জোটের সম্ভাব্য নেতা হিসেবে বিবেচনা হতে পারে জার্মানি, পোল্যান্ড, ফ্রান্স অথবা যুক্তরাজ্য। আটলান্টিক কাউন্সিল আরও জানিয়েছে, পারমাণবিক অস্ত্রবিহীন ন্যাটোর বেশ কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্র ২০৩৬ সালের মধ্যে অর্জন করতে পারে নানা পারমাণবিক অস্ত্র। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৮৫ শতাংশ মনে করেন, আগামী এক দশকের মধ্যেই অন্তত একটি নতুন দেশ বা অঞ্চল পারমাণবিক অস্ত্র লাভ করবে। এদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ তুরস্কের, ২৪ শতাংশ জার্মানির এবং ১৫ শতাংশ পোল্যান্ডের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সম্ভাবনা দেখছেন।



