Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় টিপস

রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যায়! অনিদ্রা থেকে রেহাই পেতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৫৯
রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যায়! অনিদ্রা থেকে রেহাই পেতে করণীয়

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হাজার সমস্যা ঘিরে ধরতে পারে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে। ছবি : সংগৃহীত

রাত জেগে মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি! কখনো সামাজিকমাধ্যমে কোন বন্ধু কী করছেন, সেই দিকে উঁকিঝুঁকি, কখনো আবার ওয়েব সিরিজে বুঁদ হয়ে থাকা— যারা এমন রাত জাগার অভ্যাসে অভ্যস্ত, তারা নিজেদের অজান্তেই শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাময় ব্যবস্থা ঘুমের সঙ্গে আপস করছেন।

এমন অনিদ্রা অনেকের জীবনেই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে উঠেছে। শরীর যখন বিশ্রামের জন্য আকুল হয়ে ওঠে, তখন আমরা মোবাইলে স্ক্রল করি, টিভি দেখি এবং মেসেজের উত্তর দিই।

অনেকেই গর্ব করে বলেন, রাতে টানা পাঁচ ঘণ্টা না ঘুমিয়েও তারা একেবারে ফিট। তবে এই অভ্যাস যে শরীরের কতটা ক্ষতি করছে, সেই বিষয়ে তাদের কোনো ধারণাই নেই।

এই অভ্যাসের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমছে, হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে, মানসিক শান্তিও নষ্ট হচ্ছে। ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়। টানা ৬-৭ ঘণ্টা গভীর ঘুমালে শরীর নিজেকে মেরামত করার সুযোগ পায়, বিষমুক্ত হয়, হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

সুতরাং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হাজার সমস্যা ঘিরে ধরতে পারে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে। ওষুধের উপর ভরসা করলে তা দীর্ঘমেয়াদি হয় না। এমতাবস্থায় কীভাবে রাতে ঘুম আনা যায় সময় মতো? তার জন্য কিছু পুরনো অভ্যাস ত্যাগ করে কিছু নতুন অভ্যাসকে জায়গা দিতে হবে।

১) চা, কফি বা চকোলেটে থাকা ক্যাফিন ঘুমের জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন মেলাটোনিন তৈরিতে বাধা দেয়। অফিস থেকে বাড়ি ফিরে যতই ক্লান্ত লাগুক না কেন, চা-কফি খাওয়া যাবে না। সন্ধ্যার পর এ ধরনের খাবার বা পানীয় বাদ দিলে শরীর সহজে ঘুমের ছন্দে ফিরে আসে।

২) ওয়াইফাই রাউটারের মতো যন্ত্রপাতি থেকে দূরে থাকা ভাল ঘুমের সময়ে। এগুলোর ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারণে নিদ্রায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এর ফলে শরীরের সার্কাডিয়ান ছন্দে পতন ঘটতে পারে।

৩) ঘুমের আগে মন শান্ত করার জন্য একটি রুটিন তৈরি করুন। হালকা স্ট্রেচিং, গরম জলে স্নান, বই পড়া বা পছন্দের হালকা ছন্দের কোনও গান শোনা স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে সাহায্য করে। এর ফলে ঘুম ভাল আসবে।

৪) ঘুম ও জাগার সময় নির্দিষ্ট রাখলে দেহ-ঘড়ি নিজের ছন্দে চলতে পারে। এতে মস্তিষ্ক বুঝে নেয়, কখন বিশ্রাম নেওয়ার সময়। ফলে সহজেই ঘুম আসে। চেনা পরিসরে, চেনা রুটিনে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

টিপসঘুম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise