Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
চাকরি ছেড়ে মানুষের পাশে কাইয়ুম
বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় টো টো কোম্পানি

শীতে ঘুরে আসতে পারেন চা বাগানের রাজ্য থেকে

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ্
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:১৭
শেয়ার করুন:
শীতে ঘুরে আসতে পারেন চা বাগানের রাজ্য থেকে

সৌন্দর্যের রানী শ্রীমঙ্গলে

চায়ের রাজধানীখ্যাত পর্যটন নগরী শ্রীমঙ্গল। যেদিকে দুচোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। সুনীল আকাশ, দিগন্ত জুড়ে বিশাল হাওর, সাজানো সবুজ চা বাগান আর সুউচ্চ সবুজ পাহাড়ি টিলার নয়নাভিরাম দৃশ্যাবলির দেশ শ্রীমঙ্গল।

‘শ্রী’ অর্থ সুন্দর এবং ‘মঙ্গল’ অর্থ শান্তি। সুন্দর ও শান্তির রাজ্য শ্রীমঙ্গল। শ্রীমঙ্গল বাংলাদেশের অন্য উপজেলা থেকে যেন একটু অন্যরকম। চা বাগান, উঁচু-নিঁচু টিলা, লেবু-পান-আনারস-রাবার বাগান, সুবিস্তৃত হাওর, লেক দিয়ে সাজানো অদ্ভুত সুন্দর এক উপজেলার নাম শ্রীমঙ্গল। দেশের শীত ও বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল হিসেবেও শ্রীমঙ্গল সুপরিচিত।আপনি যদি শহরের কোলাহল ও কর্মব্যস্ত জীবন থেকে মুক্ত হয়ে একটু প্রশান্তি খুঁজছেন? তাহলে কোন চিন্তা না করে এই শীতে বেরিয়ে পড়তে পারেন শ্রীমঙ্গলের দিকে। এই যাত্রায় আমার সফরসঙ্গী ছিল মারুফ, আকাশ, সাখাওয়াত, রাশেদ, শফিক, মিশু, কাফি ও তামিম। কক্সবাজার থেকে সরাসরি সিলেটর উদ্দেশে রওনা দিলাম সবাই। এর আগে তিনবার সিলেট এসেছিলাম ঘুরতে। এক রাত সবাই সিলেট অবস্থান করে সকালে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওনা দিলাম। ছোট ভাই আবিদ তাদের বন্ধুদের নিয়ে সিলেটে ছিল, তার সঙ্গে স্টেশনে দেখা। অনেক চেষ্টা করে সকালের টিকিট পেলাম। আমাদের ছিল কালনী এক্সপ্রেস। এটি সাধারণত সিলেট শহর থেকে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। যদি কোনো শিডিউল পরিবর্তন না হয় তাহলে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে শ্রীমঙ্গল পৌঁছায়। সিলেট থেকে শ্রীমঙ্গলের যাত্রাটি সত্যি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। জীবনে কিছু কিছু স্মৃতি আছে আপনি চাইলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। কিন্তু ওই সময় এবং মুহূর্ত সবসময় আপনার স্মরণে থাকবে। এই যাত্রাটি ঠিক তেমন। এই যাত্রায় ট্রেনে বসে আপনি উপভোগ করতে পারবেন দুপাশে সবুজ চা বাগানের মাঝ দিয়ে রাস্তা।সামনেই চোখে পড়বে পথের দুপাশে উঁচু-নিচু পাহাড়, লেবু ও আনারসের বাগান। উপভোগ করতে পারবেন পাহাড়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য। এই দৃশ্য উপভোগ করতে করতে আমরা শ্রীমঙ্গল পৌঁছালাম। ওইদিকে শ্রীমঙ্গল স্টেশনে আমাদরে অপেক্ষায় ছিলেন নির্ঝর, স্বচ্ছ, তার দুজন অমায়িক ছেলে। তারা আমার নেপাল ভ্রমণের সফরসঙ্গী ছিলেন। আমাদের সফর যেহেতু এক দিনের ছিল, সেজন্য আমরা আগে থেকে পরিকল্পনা করে রেখেছিলাম। আমাদের যেকোনো ভ্রমণের যাবতীয় সবকিছুর পরিকল্পনা ও খরচের দায়িত্বে থাকেন বন্ধু মারুফ। আমরা পৌঁছে চাঁদের গাড়িতে করে সারা দিনে শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, নুরজাহান চা বাগান, মাধবপুর লেক, লাল টিলা, বধ্যভূমি, শমশের নগর গলফ মাঠ, খাসিয়া পানপুঞ্জি ইত্যাদি জায়গায় ভ্রমণ করলাম। এই যাত্রায়আরও আনন্দময় করেছিল আমাদের ড্রাইভার মামা। সে গুরু জেমসের ভক্ত। সারা রাস্তায় সে আমাদের গান শুনিয়ে অনেক উজ্জীবিত করেছিল।

প্রতিটি ভ্রমণে গেলে আমার বারবার মনে পড়ে প্রখ্যাত অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক সাহেবের একটি কথা। তিনি তার শিষ্য লেখক আহমদ ছফাকে বলেছিলেন, ‘যখন কোনো নতুন জায়গায় যাইবেন পয়লা দুইটা জিনিস জানার চেষ্টা করবেন, ওই জায়গার মানুষ কী খায় আর পড়ালেখা কী করে। কী পরে আর কী খায় এই দুইটা জিনিস না জানলে একটা জাতির কোনো কিছু জানন যায় না।’  আমি সবসময় এ দুটি বিষয় ঘুরে দেখার চেষ্টা করি। এবার আসা যাক আমাদের মূল ভ্রমণের গল্পে, সারি সারি চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়ক ধরে ৯ কিলোমিটার পথ এগিয়ে আমরা প্রথমে গিয়েছিলাম লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। পথে আপনি পাহাড়ি রাস্তার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। গাড়ি থেকে নেমে আমরা সবাই টিকিট সংগ্রহ করে এ জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ করলাম। আমার মনে হয় এই উদ্যানে হচ্ছে শ্রীমঙ্গলের আরেক বিস্ময়। ১ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকা জুড়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের উঁচু-নিচু টিলায় সুউচ্চ সব বৃক্ষ আপনাকে বিমোহিত করবে। একটু ভেতরের দিকে গেলেই দেখা যাবে বড় বড় বৃক্ষরাজির মগডালে উল্লুক, বানরসহ নানা প্রাণীর লাফালাফি। উদ্যানে আরও চোখে পড়তে পারে মেছো বিড়াল, ভালুক, হরিণ, বিভিন্ন জাতের সাপ, বনমোরগ, বন বিড়াল, উল্লুক, বানর, খাটাস প্রভৃতি প্রাণী। এ বনে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়ি ছড়া। বনের গভীরে বিভিন্ন পশুপাখির কিচির-মিচির ডাক ও ঝিঁঝি পোকার শব্দে আপনার মধ্যে কাজ করবে এক মোহনীয় অনুভূতি। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়েই শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কপথ গিয়েছে। আমরা আগ্রহ নিয়ে একটু ভিতরে গিয়েছিলাম ঝিঁঝি পোকার মনোমুগ্ধকর ডাক শুনতে শুনতে। পর্যটকরা বনের এ শব্দের নাম দিয়েছেন ‘ফরেস্ট মিউজিক’।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ভিতরেই মাগুরছড়া খাসিয়া পানপুঞ্জি রয়েছে। এই খাসিয়া পানপুঞ্জিতে পৌঁছাতে হলে আপনাদের প্রায় ১ ঘণ্টা পাহাড়ের এই দৃশ্য উপভোগ করে হাঁটতে হবে। সিলেট বিভাগে ৭৫টি খাসিয়া পানপুঞ্জি রয়েছে। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলে পানপুঞ্জির সংখ্যা দশ। খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এসে সুউচ্চ পাহাড়ি টিলা পরিষ্কার করে বসবাসের উপযোগী ঘর তৈরি ও পান চাষে আত্মনিয়োগ করে। এসব পান চাষের এলাকাকে পুঞ্জি বলে। প্রতিটি পানপুঞ্জিতে ২৫/৩০টি পরিবার গোষ্ঠীবদ্ধভাবে বাস করে। খাসিয়ারা পাহাড়ি পতিত ভূমিতে সুউচ্চ গাছের পাশে লতানো পানের চারা রোপণ করে। রোপণকৃত এ চারা অল্পদিনেই বড় গাছ বেয়ে উঠতে থাকে ওপরের দিকে। বড় গাছ পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে। এ দৃশ্য অত্যন্ত নয়নাভিরাম। টিলার পর টিলা সুউচ্চ গাছগুলো সবুজ পান পাতায় ঢাকা পড়ে আছে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের পুরুষরা বাঁশের তৈরি এক প্রকার মই ব্যবহার করে সুউচ্চ গাছ থেকে পান সংগ্রহ করে। সে পান খাসিয়া নারীরা গুছিয়ে খাঁচায় ভরে রাখে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের জীবন-জীবিকা সম্পর্কে ধারণা পেতে এবং পানপুঞ্জির পান চাষ সম্পর্কে জানতে চান? চলে আসুন নাহার, নিরালা, চলিতাছড়া, লাউয়াছড়া প্রভৃতি পানপুঞ্জিতে।

শ্রীমঙ্গলের সবুজ ঘেরা অপরূপ এক প্রান্তর নুরজাহান টি-গার্ডেন বা নুরজাহান চা বাগান। কথিত আছে মোঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহান বেগমের নাম অনুসারে এই চা বাগানের নামকরণ করা হয়েছে। এই যাত্রায় আপনার চোখ যতদূর যায় কেবল সবুজ আর সবুজ চারপাশে চা বাগান। চা বাগানের যাতায়াত পথে আপনি স্থানীয় বাসিন্দাদের দেখবেন, তারা নিজের বাগানে চাষকৃত আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি বিক্রি করছে। এগুলো দেখে আমরাও গাড়ি থামিয়ে আনারস খেয়ে নিজেদের একটু শক্তি সঞ্চার করলাম। এরপর সকলে নিজেদের মতো করে ঘোরাঘুরি করলাম।

চা বাগানগুলো শ্রীমঙ্গলকে সবুজ চাদরে ঢেকে রেখেছে আর এখানকার নান্দনিক সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বাগানের বুক চিরে চলে যাওয়া ছড়া ও হ্রদগুলো। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাধপুর লেক। আমাদের যেহেতু এক দিনের সফর ছিল সেজন্য অনেক ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল। আমাদের গাড়ি মাধপুর লেকের কাছে গিয়ে পার্কিং করলে অনেকে যাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেনি। প্রথমে আমি শফিক, আকাশ, সাখাওয়াত লেকের দিকে যাওয়া শুরু করলাম। লেকের ঝলমল পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ আপনার মন ভালো করে দেবে। লেকে আমরা দেখলাম অনেক ছোট বাচ্চা গোসল করছে। আমাদেরও ইচ্ছে করেছিল নেমে পড়ি তাদের সঙ্গে। কিন্তু সময় স্বল্পতা কারণে হয়ে ওঠেনি। আর একটি বিষয়, লেকের শাপলা শালুকের উপস্থিতি আপনার মনকে আরও চাঙ্গা করে তুলবে। লেক ঘোরাঘুরি করে আমরা রওনা হলাম শমশেরনগর গলফ মাঠের দিকে।

মৌলভীবাজারের শমশেরনগর-চাতলাপুর সড়কটি গেছে শমশেরনগর চা-বাগানের ভেতর দিয়ে। সড়কের দুই পাশে চা-বাগানের গাছ, সারি সারি ছায়াবৃক্ষ। চা-বাগানের ভেতরই গলফ মাঠটি। আমরা রাস্তার পাশে আমাদের গাড়ি পার্কিং করে হেঁটে গলফ মাঠের দিকে রওনা দিলাম। হেঁটে আমরা পৌঁছাতে দেখলাম মাঠ জুড়ে বিছানো সবুজ চাদর বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে গেছে। কোথাও কিছুটা সমান, তারপর ঢালু হয়ে আবার সমান হয়ে গেছে। অনেকটা প্রান্তর জুড়ে এই সবুজের বিস্তৃতি। এক টিলায় আটকে নেই এই খোলা সবুজ হৃদয়। কয়েকটি টিলা এরকম ঘাসে ঘাসে গাঁথা হয়ে আছে। জানা যায়, ব্রিটিশ শাসনের যুগ ১৮৪৮ সালে শমশেরনগর চা-বাগানটি গড়ে তোলা হয়েছিল। সেই সময় ব্রিটেন থেকে আসা লোকজনই বাগান চালাতেন। তারা অন্যকিছু খেলতেন না, ‘গলফ’ খেলতেন। এই সবুজ মাঠটি সেই ব্রিটিশদেরই তৈরি। পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরা এই বাগান থেকে চলে গেছেন। কিন্তু চা-বাগান কর্তৃপক্ষ সৌন্দর্যের জন্য মাঠটিকে অপরিবর্তিত অবস্থাতেই রেখে দিয়েছে। মাঠটি তাই সবুজের প্রশস্ত হৃদয় হয়ে এখনো টিকে আছে। আমরা দীর্ঘক্ষণ এই মাঠে সময় অতিবাহিত করলাম।

সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে ঘুরতে আমরা ক্লান্ত ছিলাম। সেজন্য আমরা রওনা দিলাম লাঞ্চ করতে। যেহেতু আমাদের আজকে আবার ফিরতে হবে সেজন্য আমরা লাঞ্চ শেষ করে রওনা দিলাম নিজেদের ক্লান্তি দূর করতে। পুরো শ্রীমঙ্গলের মনোমুগ্ধকর সব স্থান দেখতে দেখতে আপনিও যদি ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তাহলে আপনিও আমাদের মতো চলে যেতে পারেন রমেশের নীলকণ্ঠ চা কেবিনে।

রমেশ ২০০০ সালে কাকিয়াছড়া চা বাগানের বাজারে এক গ্লাসে দু’স্তরের চা তৈরি করে আলোড়ন তুলেছিল। একে একে নিজের গড়া রেকর্ড নিজেই ভেঙে চলেছে রমেশ। বর্তমানে রামনগর মণিপুরীপাড়ার সামনে নীলকণ্ঠ চা কেবিনে তৈরি হচ্ছে এক গ্লাসে ৭ স্তরের চা। শ্রীমঙ্গলে ভ্রমণের শেষে অন্তত একবার চলে আসুন রমেশের নীলকণ্ঠ চা কেবিনে। চা জাদুকর রমেশের তৈরি চা পান করলে ভ্রমণটাই যে আপনার অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

চা খেয়ে আমাদের সারা দিনের ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। এরপর আমরা নিজেদের পরিবারের জন্য কিছু কোনাকাটা করলাম। আমাদের এই পুরো জার্নি ছিল এক কথায় অনেক রোমাঞ্চকর এবং চ্যালেঞ্জিং। কারণ হচ্ছে আমাদের জার্নি এক দিনের সেজন্য এতটা তাড়াহুড়ো হয়ে গেছে। আপনারা যারা শ্রীমঙ্গল ভ্রমণে যাওয়ার চিন্তা করছেন তাদের জন্য সাজেশন হচ্ছে রাত্রিযাপনের পরিকল্পনা নিয়ে যাবেন।

সাধারণত সারা বছরই ভ্রমণ করা যায়, তবে ঋতুভেদে এর সৌন্দর্য ও অভিজ্ঞতা আলাদা হয়। সবচেয়ে উপযুক্ত সময় নির্ভর করে আপনাদের নিজের পছন্দের ওপর।

শীত ও বসন্তকাল (নভেম্বর থেকে মার্চ): আবহাওয়া সবচেয়ে আরামদায়ক, ঠান্ডা ও মনোরম থাকে। এ সময় বনের ভেতরে হাইকিং, চা বাগানে ঘোরাঘুরি এবং বাইক্কা বিলে অতিথি পাখি দেখা সবচেয়ে ভালো হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী এই সময় পর্যটকদের সমাগম বেশি থাকে।

বর্ষাকাল (জুন থেকে সেপ্টেম্বর): চারপাশের সবুজ প্রকৃতি ও চা বাগান সবচেয়ে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পাহাড়ের ওপর ভেসে থাকা মেঘ এবং হামহাম জলপ্রপাতে ভরপুর পানি দেখতে এই সময়টি চমৎকার। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে চলাচলে কিছু অসুবিধা হতে পারে।

শ্রীমঙ্গল যাত্রায় যা কিছু আপনাদের সঙ্গে রাখতে পারেন, কাঁধের ব্যাগের ওজন যতটা পারবেন হালকা রাখবেন। এটি আপনার হাঁটার পথে কাজে দেবে। আপনারা অবশ্যই সঙ্গে পানি রাখবেন। একটি পর্যটন নগরীর সৌন্দর্য রক্ষার মূল দায়িত্ব আমাদের। সেজন্য যত্রতত্র আবর্জনা ফেলবেন না।

শ্রীমঙ্গলসিলেটশীতভ্রমন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    পদোন্নতির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

    মাতিস রঙের সুন্দর

    মাতিস রঙের সুন্দর

    গাজীপুরে আহত পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    গাজীপুরে আহত পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    আফ্রিকার শহরে শিকড়ের সুর: বন্ধুত্বের ডাকে নাইরোবি শিল্পী গোষ্ঠীর অনন্য আয়োজন

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগ অভিনেত্রীর

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    ‘পূর্বজন্মে পাপ করলে এ জন্মে বিএনপি করে’, পোস্ট ঘিরে পুলিশ-প্রেস মিনিস্টার বিতর্ক

    উদয়ন স্কুলে ‘যৌন হয়রানির’ প্রতিবাদ করায় শাস্তির মুখে ১০ শিক্ষার্থী

    উদয়ন স্কুলে ‘যৌন হয়রানির’ প্রতিবাদ করায় শাস্তির মুখে ১০ শিক্ষার্থী

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে হলো না ‘জাতীয় চার নেতা স্মরণে প্রদর্শনী’, কারণ ‘নিরাপত্তা’

    মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে হলো না ‘জাতীয় চার নেতা স্মরণে প্রদর্শনী’, কারণ ‘নিরাপত্তা’

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    আশুগঞ্জে নিজের অস্ত্রের গুলিতে এসআইয়ের আত্মহত্যা

    গবেষণাপত্র প্রকাশে সঠিক জার্নাল নির্বাচন করবেন কীভাবে?

    গবেষণাপত্র প্রকাশে সঠিক জার্নাল নির্বাচন করবেন কীভাবে?

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    কুড়িকৃবি’র স্থান নির্ধারণ প্রতিবেদন ঘিরে বিতর্ক

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    রূপান্তরের পথপ্রদর্শক হতে পারে

    ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

    ইরানের কেশম দ্বীপে বিস্ফোরণ, হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

    ৭ নভেম্বর এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ছাড়াই ৬ ঘণ্টা চালানো যাবে গাড়ি

    ৭ নভেম্বর এক্সপ্রেসওয়েতে টোল ছাড়াই ৬ ঘণ্টা চালানো যাবে গাড়ি