ভূমিকম্প থেকে ভবন বাঁচাবে...

সংগৃহীত ছবি
২৪ ঘণ্টার কম সময়ের ব্যবধানে এশিয়ার দুই অঞ্চলে আঘাত হানল দুটি ভূমিকম্প। একটির মাত্রা ছিল মাঝারি, উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানে। অন্যটি ছিল বেশ শক্তিশালী। ৭ দশমিক ৮ তীব্রতার ওই কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল ফিলিপাইনে। ভুটানের ভূমিকম্পে তেমন ক্ষয়ক্ষতি না হলেও ফিলিপাইনে ধসে পড়েছে অসংখ্য ভবন-স্থাপনা। প্রাণহানিও হয়েছে সেখানে। ভূমিকম্পের এই ভয়াবহতার মধ্যেই প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদের সাইট স্ল্যাশগিয়ার এক প্রতিবেদনে শুনিয়েছে আশার কথা। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিহীন এক অভিনব ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন এশিয়ার আরেক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অধ্যাপক। দেশটির ‘ইউনিভার্সিটি অব শারজাহ’-এর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক মুসা লেবলুবা তৈরি করেছেন সহজ, কার্যকর ও সম্পূর্ণ বিদ্যুৎবিহীন একটি সমাধান।
তিনি যে ডিভাইস তৈরি করেছেন তাতে কাজে লাগানো হয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের সাধারণ ঘর্ষণশক্তি। ডিভাইসটি ভবনের তীব্র কম্পন শুষে নিতে পারে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগে রক্ষা করবে অসংখ্য মানুষের প্রাণ ও ভবন।
স্ল্যাশগিয়ার জানিয়েছে, যন্ত্রটি একটি সিলিন্ডার, যার কেন্দ্র বরাবর রয়েছে একটি রড। সিলিন্ডারের ভেতরে থাকা রডের অংশটি থেকে ছোট ছোট আরও কিছু রড শাখার মতো চারদিকে ছড়িয়ে থাকে এবং পুরো সিলিন্ডারটি ছোট ছোট স্টিলের বল বা মার্বেল দিয়ে ঠাসা। মূল পরিকল্পনাটি হচ্ছে, এ যন্ত্রটি ভূমিকম্পের তীব্র আঘাত নিজে শুষে নিয়ে তা নিষ্ক্রিয় করে দেবে।
অধ্যাপক লেবলুবা ২০২৫ সালে ভূমিকম্প প্রতিরোধী যন্ত্রটির পেটেন্ট বা স্বত্ব পেয়েছেন। তবে বাণিজ্যিকভাবে বা বড় পরিসরে ব্যবহারের আগে এখনো যন্ত্রটির অনেক কাজ বাকি। বাস্তব ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা পুরোপুরি প্রমাণের জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন।




