ক্রাইম থ্রিলার
মার্সি

সাম্প্রতিক সময়ের একটি অত্যন্ত আলোচিত ও রোমাঞ্চকর সায়েন্স ফিকশন জনরার ক্রাইম-থ্রিলার চলচ্চিত্র ‘মার্সি’। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই দর্শক মহলে দারুণ সাড়া ফেলেছে এটি। এতে ভবিষ্যৎ পৃথিবীর এক লোমহর্ষক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
চলতি দশকের শেষের অর্থাৎ ২০২৯ সালের লস অ্যাঞ্জেলেসের পটভূমিতে মুভির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। অপরাধের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিচারব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয় এবং প্রথাগত আদালতের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইচালিত বিচারকের ব্যবস্থা চালু করা হয়। মুভির মূল চরিত্র গোয়েন্দা ক্রিস রেভন হঠাৎ করেই এক মারাত্মক পরিস্থিতিতে পড়েন। তাকে নিজের স্ত্রীর নির্মম খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। তবে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় খোদ এক এআই বিচারক ‘ম্যাডক্স’-এর (রেবেকা ফারগিউসন) সামনে, যে সিস্টেম তৈরিতে একসময় ক্রিস নিজেই জোরালো ভূমিকা রেখেছিলেন।
‘মার্সি’ সিনেমাটি এক দারুণ তাত্ত্বিক ও নৈতিক প্রশ্ন সামনে নিয়ে আসে, আসলেই কি বিচারব্যবস্থা এআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া যায়?







