হরর ছবি
পেট সেমিট্রি

স্টিফেন কিংয়ের উপন্যাস ‘পেট সেমিট্রি’ (১৯৮৩) তার সবচেয়ে ভয়-জাগানো বইগুলোর একটি। গল্পের নায়ক ডাক্তার লুইস ক্রিড। স্ত্রী র্যাচেল, মেয়ে এলি, ছোট ছেলে গেজ আর পোষা বিড়াল চার্চকে নিয়ে মেইনের এক শান্ত শহর লাডলোতে চলে আসেন। বাড়ির পেছনের জঙ্গলে আছে বাচ্চাদের বানানো একটা পোষা প্রাণীর কবরস্থান।
পাশের বাড়ির বুড়ো জুড ক্র্যান্ডালের সঙ্গে খুব তাড়াতাড়ি ওদের ভাব হয়ে যায়। একদিন চার্চ ট্রাকের নিচে পড়ে মারা যায়। এতে এলি খুব কষ্ট পায়। জুড লুইসকে নিয়ে যায় কবরস্থানের পেছনের এক পুরনো, অভিশপ্ত জমিতে; যেখানে কবর দিলে মরা প্রাণীরা আবার ফিরে আসে। কবর দেওয়ার কিছুদিন পরেই ফিরে আসে চার্চ। কিন্তু সে এখন হিংস্র, গায়ে বিশ্রী গন্ধ, কেমন যেন অস্বাভাবিক।
তারপর ঘটে সেই ভয়ানক ঘটনা, যেটা বইয়ের আসল ধাক্কা। শোকে পাগলপ্রায় লুইস যুক্তি, বিবেক ঝেড়ে ফেলে। মাথায় শুধু একটাই চিন্তা, ‘এবার হয়তো অন্যরকম হবে।’ পাঠকরা লুইসের সিদ্ধান্তটাকে ঘেন্না করে, অথচ তার কষ্টটা ঠিকই বুঝতে পারে। কিং দেখান, শোক মানুষের বিচার-বুদ্ধি কেড়ে নেয়। আর মৃত্যুকে অস্বীকার করলে আরও বড় সর্বনাশ হয়ে যায়।



