Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
পশুপাখির প্রতি শরীফের ভালোবাসা
শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় খোলা হাওয়া

শরীফ সারওয়ার-এর গল্প ভয় ভাঙার গল্প

সাগর সেচে ‘মুক্তা’ আনেন শরীফ

সৈয়দ ফরহাদ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩
সাগর সেচে ‘মুক্তা’ আনেন শরীফ

ছবি: শরীফ সারওয়ার

ব্যস্ত নগরজীবন, মিছিল-মিটিং, রাজনৈতিক উত্তাপ আর সাংস্কৃতিক আয়োজনের ছবি তুলতে তুলতে ক্লান্ত হয়ে উঠছিলেন একজন ফটোসাংবাদিক। সেই সঙ্গে নতুন কিছু দেখার অদম্য তাড়না তাকে ঠেলে দেয় অন্য এক জগতে। স্কুবা ডাইভার এবং আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার হিসেবেই এখন পরিচিত তিনি। সেই মানুষটি শরীফ সারওয়ার। তার গল্প বলেছেন সৈয়দ ফরহাদ

মালদ্বীপের শার্ক পয়েন্টের নীল অন্ধকারে ধীরে ধীরে নামছিলেন নিচে। চারপাশে প্রবাল, দূরে ভেসে বেড়ানো রুপালি মাছের ঝাঁক। হঠাৎই শরীফ সরোয়ার টের পেলেন, কিছু একটা বদলে গেছে। ডানে তাকাতেই একটি হাঙর। বাঁয়ে আরেকটি। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সামনে, পেছনে, মাথার ওপর— চারদিক থেকে ঘিরে ফেলল বিশাল হাঙরের ঝাঁক। অক্সিজেন মাস্কের ভেতর নিজের দ্রুত শ্বাসের শব্দ পর্যন্ত শুনতে পাচ্ছিলেন শরীফ।
‘ডানে, বাঁয়ে, সামনে সবখানে শুধু হাঙর। সেদিন সত্যিই ভয় পেয়েছিলাম’— স্মৃতি হাতড়ে বলছিলেন তিনি।
হাঙরদের সঙ্গে তার দূরত্ব কয়েক হাতের বেশি নয়। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, কোনো হাঙরই আক্রমণ করেনি। তারা শুধু ঘুরছিল। শান্ত, ধীর, কৌতূহলী।
আর সেই অভিজ্ঞতাই যেন ভেঙে দেয় সিনেমার তৈরি সেই ভয়ের আবরণ।
শরীফ সারওয়ার বলেন, ‘হাঙর খুব শান্ত প্রাণী। আপনি যদি তার জন্য হুমকি হয়ে না ওঠেন, তবে সে কখনো আক্রমণ করবে না।’

‘আমি শরীফ শরীফ সারওয়ার, পেশায় আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফার।’
প্রথম দেখায় এভাবেই দিলেন নিজের পরিচয়।

‘ডানে, বাঁয়ে, সামনে সবখানে শুধু হাঙর। সেদিন সত্যিই ভয় পেয়েছিলাম’। ছবি: শরীফ সারওয়ার

যদিও এক্ষেত্রে যতটা সংক্ষিপ্ত থাকেন, তার যাত্রাপথ ঠিক ততটাই বিস্তৃত। দীর্ঘদিন দেশের বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ফটোসাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। রাজনৈতিক সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জনজীবনের নানা চিত্র, সবই ছিল তার ক্যামেরার বিষয়। কিন্তু তার ভেতরে ছিল অন্যরকম এক অস্থিরতা।

‘ভালো ছবির জন্য একটা ক্ষুধা সবসময় কাজ করত।’
এ ক্ষুধাই তাকে একদিন নিয়ে যায় সমুদ্রের কাছে। সেই সময় টেলিভিশনের পর্দায় দেখানো ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ও ডিসকভারি চ্যানেলের আন্ডারওয়াটার ডকুমেন্টারিগুলো গভীরভাবে আকৃষ্ট করত শরীফকে।

তিনি ভাবতে শুরু করলেন, এত নদী-খাল-বিল, সমুদ্রবেষ্টিত একটি দেশের পানির নিচে কি দেখার মতো কিছুই নেই?
সেখান থেকেই শুরু অনুসন্ধান। একসময় খোঁজ পান সেন্টমার্টিনে ওশেনিক স্কুবা ডাইভিং সেন্টারের। ২০১২ সালে তাদের সহায়তায় প্রথমবার ডাইভ দেন। সেই প্রথম ডুবই যেন তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
তার ভাষায়, ‘সেই যে গেলাম, আজও ফিরে আসতে পারিনি।’

প্রথম ডুব
প্রথম ডুবের অভিজ্ঞতা মনে করে বলেন, ‘পাঁচ-সাত ফুট নিচে গিয়েই মনে হচ্ছিল, আমি কি আর ওপরে উঠতে পারব?’ অজানা এক ভয় গ্রাস করেছিল তাকে। মনে হচ্ছিল, কিছু একটা এগিয়ে আসছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভয় কেটে যায় আর তখনই উন্মোচিত হয় এক বিস্ময়কর জগৎ।
এরপর ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দেন সমুদ্রের জগতে। একসময় ফটোসাংবাদিকতার চাকরিও ছেড়ে দেন। পানির নিচের পৃথিবীকে দেখা, জানা আর ক্যামেরায় বন্দি করাই হয়ে ওঠে তার নতুন পরিচয়।

শরীফ সারওয়ার জানান, সেন্টমার্টিনের ওশেনিক স্কুবা ডাইভিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা এস এম আতিকুর রহমান তার পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরে ‘পাডি ইন্সট্রাক্টর’ আসাদুজ্জামান তালুকদারের উৎসাহে হয়ে ওঠেন ডাইভ মাস্টার।

পানির নিচের জগৎ নিয়ে তার বর্ণনা যেন কবিতার মতো, ‘এটা অন্য এক দুনিয়া। এখানে সবকিছু আলাদা। এখানে শ্বাস নেওয়ার বিজ্ঞানও আলাদা। মহাকাশ যেমন পৃথিবীর বাইরে অন্য নিয়মে চলে, পানির নিচেও তেমন।’

তবে এ জগৎ যেমন মোহময়, তেমনি কঠিনও। বাংলাদেশের সমুদ্রে দৃশ্যমানতা তুলনামূলক কম। অনেক সময় সাত মিটারের বেশি নিচে গেলেই ঝাপসা হয়ে আসে চারপাশ।
মালদ্বীপে প্রায় ৫০-৬০ ফুট গভীরে গিয়ে একবার তিনি দেখেছিলেন বিশাল মান্টা রে। ছবি: সংগৃহীত

কেমন সেই অনুভূতি?
শরীফ সারওয়ার বললেন, ‘খালি চোখে কিছুই বোঝা যায় না। কিন্তু মাস্ক পরে তাকালেই সব দৃশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’

শীতকালে সেন্টমার্টিনের পানি তুলনামূলক পরিষ্কার থাকে। তাই এ সময়টাকেই ডাইভিংয়ের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মনে করেন তিনি। বর্ষায় পলিমাটির কারণে ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সেই ঝুঁকি কখনো জালে আটকে পড়া, কখনো সঙ্গীকে হারিয়ে ফেলা। তবে বিষয়টি খুব স্বাভাবিকভাবেই দেখেন শরীফ— ‘পানির ওপরে যেমন ঝুঁকি আছে, নিচেও তেমনই। বরং প্রশিক্ষিত হলে ঝুঁকি অনেক কমে যায়।’
তার মতে, সড়ক দুর্ঘটনায় যত মানুষ মারা যায়, ডাইভিংয়ে মৃত্যুর হার তার চেয়ে অনেক কম।
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার কথা উঠতেই চোখেমুখে ফুটে ওঠে উত্তেজনা।

মালদ্বীপে প্রায় ৫০-৬০ ফুট গভীরে গিয়ে একবার তিনি দেখেছিলেন বিশাল মান্টা রে।
‘ওরা আমাদের এক ফুট ওপর দিয়ে ভেসে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের মধ্যে বসে আছি।’
তবে সব অভিজ্ঞতা শুধু সৌন্দর্যের নয়, সতর্কতারও।
সতর্কতার পাঠ
হাঙরের সঙ্গে ‘বন্ধুত্ব’? শুনতে অবাক লাগলেও শরীফ সারওয়ার সেটাই বলেন। তবে এ বন্ধুত্বেরও নিয়ম আছে।
‘এমন পরিস্থিতিতে একটি ভুল মানে জীবনের শেষ ভুল। দ্বিতীয় সুযোগ থাকে না।’
তাই পানির নিচে কোনো প্রাণীর কাছে গেলে দূরত্ব বজায় রাখা, তাদের চলাচলে বাধা না দেওয়া এসবই ডাইভিংয়ের মৌলিক শিষ্টাচার।

এ জগতে টিকে থাকতে হলে শৃঙ্খলা জরুরি। স্কুবা ডাইভিংয়ে শিক্ষানবিশদের জন্য ‘বাডি’ বা সঙ্গী বাধ্যতামূলক। কারণ, যেকোনো সময় যন্ত্রপাতি বিকল হতে পারে। তখন একজন অভিজ্ঞ সঙ্গীই জীবন বাঁচাতে পারেন।

পানির নিচের জগৎ নিয়ে শরীফের একটি কথা বিস্ময় জাগায়, ‘এ পর্যন্ত যত প্রাণী দেখেছি, কাউকেই অ্যাগ্রেসিভ মনে হয়নি।’

টিভি বা সিনেমায় হাঙর মানেই ভয়, অক্টোপাস মানেই আতঙ্ক। অথচ বাস্তব অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে ভিন্ন কথা।
‘তারা বরং আপনাকে কাছে আসার সুযোগ করে দেবে।’
তবে ব্যতিক্রমও আছে।
‘ট্রিগার ফিশ আছে, ওটার কাছে গেলে কামড়াতে পারে।’
অর্থাৎ, সমুদ্রের নিচের দুনিয়াকে পুরোপুরি নিরীহ ভাবার সুযোগ নেই। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। একজন ডাইভার অসুস্থ হতে পারেন, আহতও হতে পারেন।

‘এটা অন্য এক দুনিয়া'। ছবি: শরীফ সারওয়ার
চাই প্রশিক্ষণ
শরীফ সারওয়ারের স্পষ্ট কথা, ‘স্কুবা ডাইভিং হুট করে করা যায় না। এর জন্য সঠিক ট্রেনিং দরকার।’
তিনি ‘রেসকিউ ডাইভার’ কোর্সের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে শেখানো হয় পানির নিচে বিপদ সামলানোর কৌশল।
শরীফ বিশ্ব জুড়ে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান ‘পাডি’ (পিএডিআই)-এর প্রশিক্ষণের কথাও বলেন। ‘পাডি’ অর্থ প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ডাইভিং ইন্সট্রাক্টর।
সাগরতলে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পানির চাপ। ‘আপনি যত গভীরে যাবেন, চাপ তত বাড়বে। প্রথমেই সেটা কানে অনুভব করবেন’— বলেন শরীফ।

এ চাপ সামলাতে ডাইভারদের শিখতে হয় ‘ইকুয়ালাইজেশন’— অর্থাৎ কানের ভেতরের চাপ বাইরের সঙ্গে সমান করা। ধীরে ধীরে নিচে নামতে হয়। কানে ব্যথা লাগলে সঙ্গে সঙ্গে চাপ সমান করতে হয়।
তবে নিচে নামার চেয়ে ওপরে ওঠাটাই বেশি বিপজ্জনক।
‘হঠাৎ ওপরে উঠে এলে রক্তে নাইট্রোজেনের বুদ্‌বুদ তৈরি হয়। এতে ফুসফুসে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে, এমনকি পক্ষাঘাতও হতে পারে।’ তাই ডাইভ শেষে ধাপে ধাপে, নির্দিষ্ট উচ্চতায় থেমে ওপরে উঠতে হয়।

পানির নিচের জগৎ শুধু রোমাঞ্চের নয়, ভয়ংকর এক বাস্তবতারও সাক্ষী। আর সেই বাস্তবতার নাম, দূষণ।

দূষণে জর্জরিত
শরীফ সারওয়ার বললেন, ‘২০১২ সাল থেকেই আমি পানির নিচে প্লাস্টিক দেখছি। সময় যত যাচ্ছে, এটা বাড়ছেই।’
শুধু সমুদ্র নয়, বাংলাদেশের প্রায় সব নদীতেই তিনি একই দৃশ্য দেখেছেন, ‘এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে প্লাস্টিক নেই।’

সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয় তিনি দেখেছেন, প্লাস্টিকের গায়ে লেগে থাকা খাবার খাচ্ছে মাছ। কে জানে, খাবারের সঙ্গে প্লাস্টিকও গিলে ফেলছে কি না! আর এ কারণেই হয়তো এখন মাছের শরীরে মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি।

বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ— সব জায়গায়ই একই সংকট। তবে অনেক দেশ সমুদ্র থেকে প্লাস্টিক তুলে পুনর্ব্যবহার করছে। ‘আমাদের দেশে সেই ব্যবস্থা এখনো তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি’— আক্ষেপ তার।

‘স্কুবা ডাইভিং হুট করে করা যায় না। এর জন্য সঠিক ট্রেনিং দরকার।’ ছবি: শরীফ সারওয়ার

নদী আর সমুদ্রের অভিজ্ঞতাও এক নয়। নদীর নিচে তিনি বেশি দেখেছেন পরিচিত মাছ। কিন্তু সমুদ্র? সেখানে চেনা-অচেনা প্রাণীর এক বিস্ময়কর দুনিয়া।

তার কাছে স্কুবা ডাইভিং কেবল অ্যাডভেঞ্চার নয়, ‘এক জীবন্ত লাইব্রেরি’। জলের স্রোত, সূর্যের আলোর ভাঙন, জলজ উদ্ভিদের নাচ আর গভীর সমুদ্রের প্রাণবৈচিত্র্য সব মিলিয়ে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন পৃথিবী।
তবে এ পৃথিবীতে প্রবেশেরও নিয়ম আছে। একজন ভালো ডাইভারকে হতে হয় প্রকৃতিবান্ধব। ডাইভ দেওয়ার সময় শরীরের স্পর্শে প্রবালের ক্ষতি হচ্ছে কি না, সেটিও খেয়াল রাখতে হয়।

শরীফ সারওয়ার মনে করেন, আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফিও মোটেই সহজ কোনো কাজ নয়, ‘প্রতিমুহূর্তে ক্যামেরার সেটিং বদলাতে হয়। স্রোত তো থাকেই। পানির নিচে দ্রুত অ্যাঙ্গেলও বদলানো যায় না। আর যত গভীরে যাবেন, বস্তুর রঙ তত হারিয়ে যেতে থাকে।’

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
বঙ্গোপসাগরের গভীরে ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’-এ ডাইভ দেওয়ার অভিজ্ঞতাও আছে তার। একটি গবেষণা প্রকল্পে অংশ নিয়ে প্রায় ৩৩ মিটার নিচে নেমেছিলেন, ‘সেখানে এত অন্ধকার ছিল যে, নিজের হাতও দেখতে পাচ্ছিলাম না।’

ভয়, অন্ধকার আর অনিশ্চয়তার মাঝেই সেদিন নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।
থাইল্যান্ডে প্রথমবার তিমি দেখার অভিজ্ঞতাও ভোলার নয়। বিশাল প্রাণীটির কাছে যেতে ডাইভারদের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হয়েছিল। স্পর্শ করাও ছিল নিষিদ্ধ।
‘যখন ওটা আমার মাথার ওপর দিয়ে গেল, চোখ ফেরাতে পারছিলাম না।’

তার অভিজ্ঞতা বারবার মনে করিয়ে দেয়, ভয় অনেকটাই মানুষের তৈরি। তার ভাষায়, ‘আপনি যদি জলজ প্রাণীদের জন্য হুমকি না হন, তারা কখনো আপনাকে আক্রমণ করবে না।’

বঙ্গোপসাগর-এর গভীর জলের জেলি ফিশ। ছবি: শরীফ সারওয়ারআর এ বিশ্বাসই তাকে বারবার টেনে নিয়ে যায় নীল অন্ধকারের সেই গভীরে, যেখানে ভয় আছে, ঝুঁকি আছে, কিন্তু তার চেয়েও বেশি আছে এক অদ্ভুত শান্তি আর অবর্ণনীয় সৌন্দর্য।

শরীফ সারওয়ারখোলা হাওয়াফিচারমালদ্বীপ শার্ক পয়েন্টমালদ্বীপ
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    বিশ্বস্ত কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে চায় বিএনপি

    বিশ্বস্ত কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে চায় বিএনপি

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭

    পশুপাখির প্রতি শরীফের ভালোবাসা

    পশুপাখির প্রতি শরীফের ভালোবাসা

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩

    নরসিংদীতে ইয়াবাসহ চিকিৎসক আটক

    নরসিংদীতে ইয়াবাসহ চিকিৎসক আটক

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০০:০৫

    বিদেশে কর্মী পাঠাতে ‘আস্থার সংকট’ কাটাতে চায় সরকার

    বিদেশে কর্মী পাঠাতে ‘আস্থার সংকট’ কাটাতে চায় সরকার

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২

    কাফরুলে যুবদলের সদস্য সচিবসহ দুইজন গুলিবিদ্ধ

    কাফরুলে যুবদলের সদস্য সচিবসহ দুইজন গুলিবিদ্ধ

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৭

    থাইল্যান্ড থেকে আনা ১২ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

    থাইল্যান্ড থেকে আনা ১২ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক গ্রেপ্তার

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৪

    জব্দ ইরানি সম্পদ থেকে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ট্রাম্পের

    জব্দ ইরানি সম্পদ থেকে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ট্রাম্পের

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৪

    কোটি মানুষ মার্কিন চক্রান্তে পথে নামেনি

    কোটি মানুষ মার্কিন চক্রান্তে পথে নামেনি

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪

    বঙ্গভবনের দরজা পেরিয়ে ‘অনিশ্চিত যাত্রায়’ সাহাবুদ্দিন

    বঙ্গভবনের দরজা পেরিয়ে ‘অনিশ্চিত যাত্রায়’ সাহাবুদ্দিন

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৩১

    আন্দোলনকারীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলে সমালোচনার মুখে সালমান

    আন্দোলনকারীদের বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলে সমালোচনার মুখে সালমান

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১৬

    অতিরিক্ত মাদক সেবনে সৌদি প্রিন্সের মৃত্যু

    অতিরিক্ত মাদক সেবনে সৌদি প্রিন্সের মৃত্যু

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৭

    কাফরুলে গুলিবিদ্ধ বিএনপিকর্মী নিহত, আহত ২

    কাফরুলে গুলিবিদ্ধ বিএনপিকর্মী নিহত, আহত ২

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৫ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৫ জুলাই)

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:২১

    দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি, সাত অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বৃষ্টি, সাত অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫

    ২৩ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    ২৩ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২

    advertiseadvertise