পাটওয়ারীর মার তো শুরু মাত্র!
- নিউ ইয়র্কে এমপি মনজুরুল ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলছেন বলে অভিযোগ তুললেন দিনাজপুর-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম। এ জন্য এনসিপি নেতাকে দিলেন প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও। বললেন, ‘পাটওয়ারীর ওপর মার শুরু হয়েছে কেবল। আসল মার তো শুরুই হয়নি।’
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন সংসদ সদস্য মনজুরুল। তার ভাষ্য, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যেভাবে ‘কুরুচিপূর্ণ’ কথা বলেন তা ‘ফ্রিডম অব স্পিস’ বা বাকস্বাধীনতা নয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশ পরিচালনায় তারেক রহমান যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন তা বিশ্বাস করা কঠিন। আমরা অনেক কিছু সহ্য করতে পারি না। কিন্তু উনি সহ্য করছেন। উনার সম্পর্কে যেসব বাজে ভাষা এই পাটওয়ারী ও তুষাররা বলছে তা সহ্যের নয়।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি গোলাম মর্তুজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ, জিল্লুর রহমান জিল্লু ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী।
জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই বিপ্লব নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি দেখানো হয়। এ সময় নূর হোসেন নামক একজন বাংলাদেশি বলেছেন, ‘এতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে। ভিডিওতে বলা হচ্ছে, বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব। অথচ বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বলেছিলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল ফ্যাসিবাদের পতন। আমরা আন্দোলন করি নাই। ডকুমেন্টারিতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে।’
এমন মন্তব্যের পর উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন। নূর হোসেনকে আলোচনা সভার হল রুম থেকে বের করে দেন তারা। সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে মঈন চৌধুরী মাইক নিয়ে বলেন, ‘এটি সরকারি অফিস। এখানে বিশৃঙ্খলা করবেন না।’
প্রতিবেদক খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন, দেশে থাকাকালে শিবিরের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন নূর হোসেন। তবে নিউ ইয়র্কের জামায়াত নেতাকর্মীরা তাকে চেনেন না।





