ক্যারিয়ারে এগিয়ে দেবে যে ১০ বিদেশি ভাষা

নিজের মাতৃভাষা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা জানা এখন বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়; মডেল: নায়না আক্তার; ছবি: সাজ্জাদ হোসেন
বিশ্বায়নের বাজারে ক্যারিয়ার মানেই একটু অতিরিক্ত শেখা বা জানা। ফলে নিজের মাতৃভাষা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা জানা এখন বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একটি বিদেশি ভাষা আয়ত্তে থাকলে শুধু অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয় না, বরং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, বহুজাতিক কোম্পানি, কূটনীতি, পর্যটন, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ বাড়ে। বিশেষ করে যেসব দেশের অর্থনীতি ও শিল্প দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, সেসব দেশের ভাষা জানা চাকরিপ্রার্থীদের অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখতে পারে। ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, বিদেশে পড়াশোনা কিংবা আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের কথা বিবেচনা করলে নিচের ১০টি ভাষা হতে পারে কার্যকর পছন্দ।
মান্দারিন চীনা
বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে মান্দারিন চীনা ভাষার গুরুত্বও বেড়েছে। উৎপাদন, রপ্তানি, বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থার পাশাপাশি প্রকৌশল, অর্থনীতি, লজিস্টিকস ও প্রযুক্তি খাতেও চীনা ভাষাজ্ঞান কাজে আসতে পারে। চীন ও তাইওয়ানে বিপুলসংখ্যক মানুষের মাতৃভাষা মান্দারিন। এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশেও চীনা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী রয়েছে। ফলে চীনা কোম্পানি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কিংবা চীনকেন্দ্রিক ব্যবসায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে এই ভাষা বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।
জাপানিজ
প্রযুক্তি, অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিকস ও শিল্পোৎপাদনে জাপানের দীর্ঘদিনের শক্ত অবস্থান রয়েছে। দেশটির বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক বাজারেও সক্রিয়। ফলে জাপানি ভাষা জানা বিশেষ করে প্রকৌশল, গবেষণা ও উন্নয়ন, উৎপাদন, প্রযুক্তি এবং লজিস্টিকস খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য কার্যকর হতে পারে। জাপানে উচ্চশিক্ষা কিংবা দেশটির কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরির পরিকল্পনা থাকলেও ভাষাটি শেখা গুরুত্বপূর্ণ। জাপানি ভাষার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পেশাগত দক্ষতা থাকলে চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করা সহজ হতে পারে।
জার্মান
ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য জার্মান একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা। জার্মানি ইউরোপের অন্যতম বড় অর্থনীতি এবং প্রকৌশল, গাড়ি শিল্প, উৎপাদন, ফার্মাসিউটিক্যালস, অর্থনীতি ও নকশাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশটির শক্তিশালী অবস্থান রয়েছে। জার্মান শুধু জার্মানিতেই নয়, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গসহ ইউরোপের আরও কয়েকটি অঞ্চলে ব্যবহৃত হয়। ফলে ইউরোপকেন্দ্রিক ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে ভাষাটি বিশেষ সুবিধা দিতে পারে। বাংলাদেশে জার্মান শেখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট এবং গোথ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মতো প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে।
তুর্কি
তুরস্ককে কেন্দ্র করে ব্যবসা, পর্যটন, প্রযুক্তি, জ্বালানি, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আগ্রহীদের জন্য তুর্কি ভাষা হতে পারে কার্যকর একটি দক্ষতা। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তুর্কি ভাষাভাষী মানুষের বসবাস রয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও তুর্কি ভাষার ব্যবহার দেখা যায়। প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, জ্বালানি, পর্যটন, অর্থনীতি, আইন ও ব্যবসার পাশাপাশি কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তুর্কি ভাষাজ্ঞান কাজে আসতে পারে। তুরস্কে উচ্চশিক্ষার সুযোগ খুঁজছেন এমন শিক্ষার্থীদের জন্যও ভাষাটি গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে তুর্কি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে।
স্প্যানিশ
বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ভাষাগুলোর একটি স্প্যানিশ। ইউরোপের পাশাপাশি লাতিন আমেরিকার বহু দেশে এই ভাষা রাষ্ট্রীয় বা প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফলে আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও চাকরির বাজারে স্প্যানিশের গুরুত্ব ব্যাপক। ব্যাংকিং, গণমাধ্যম, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বিপণন ও সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্প্যানিশ ভাষাজ্ঞান কাজে লাগতে পারে। বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার উদীয়মান বাজারের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে এই ভাষা বাড়তি সুবিধা দিতে পারে। ইংরেজির সঙ্গে কিছুটা শব্দগত ও কাঠামোগত মিল থাকায় অনেক শিক্ষার্থীর কাছে স্প্যানিশ তুলনামূলক সহজ মনে হতে পারে।
কোরিয়ান
দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিকস, গাড়ি, ডিজিটাল সেবা ও রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। একই সঙ্গে কোরিয়ান সংস্কৃতি—বিশেষ করে কে-পপ, কোরিয়ান নাটক, সিনেমা ও ফ্যাশনের বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা দেশটির ভাষার প্রতি আগ্রহও বাড়িয়েছে। কোরিয়ান কোম্পানিগুলোর সঙ্গে কাজ, দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা কিংবা দেশটির কর্মসংস্থানের সুযোগ কাজে লাগাতে চাইলে কোরিয়ান ভাষা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। প্রযুক্তি ও প্রকৌশলভিত্তিক ক্যারিয়ারের পাশাপাশি পর্যটন ও আন্তর্জাতিক ব্যবসাতেও ভাষাটি কাজে আসে।
ফরাসি
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি ও বৈশ্বিক উন্নয়ন খাতে ফরাসি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাষা। ইউরোপের পাশাপাশি আফ্রিকার অনেক দেশেও ফরাসি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ফলে আন্তর্জাতিক সংস্থা, কূটনৈতিক মিশন ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন খাতে কাজ করতে আগ্রহীদের জন্য ভাষাটি বিশেষভাবে উপযোগী। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে ফরাসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কানাডাসহ আরও কয়েকটি দেশেও ফরাসির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। আফ্রিকায় জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফরাসি ভাষার ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
আরবি
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে চাকরি ও ব্যবসার সুযোগের কথা বিবেচনা করলে আরবি একটি অত্যন্ত কার্যকর ভাষা। তেল ও গ্যাস, নির্মাণ, প্রকৌশল, পর্যটন, আতিথেয়তা, বাণিজ্য ও বিভিন্ন সেবা খাতে আরবি ভাষাজ্ঞান কর্মীদের যোগাযোগ সক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিশ্বের বহু দেশে আরবি ব্যবহৃত হয় এবং কোটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগের ভাষা এটি। ইংরেজির পাশাপাশি আরবি জানা থাকলে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজের ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা পাওয়া সম্ভব।
ইতালিয়ান
ফ্যাশন, নকশা, চারুকলা, খাবার ও পানীয়, ফুটবল এবং বিলাসবহুল গাড়ি শিল্পের সঙ্গে ইতালির নাম গভীরভাবে যুক্ত। ফলে এসব ক্ষেত্রে পেশা গড়তে আগ্রহীদের জন্য ইতালিয়ান ভাষা শেখা কার্যকর হতে পারে। ইতালি ছাড়াও সুইজারল্যান্ড, সান মারিনো ও ভ্যাটিকানে ইতালিয়ান ব্যবহৃত হয়। ফ্যাশন ও বিলাসপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে ইতালীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্ত অবস্থান থাকায় সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য ভাষাটি বাড়তি সুযোগ তৈরি করতে পারে।
রাশিয়ান
রাশিয়া আয়তন, প্রাকৃতিক সম্পদ, জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিক থেকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর একটি। রাশিয়ার পাশাপাশি সাবেক সোভিয়েত অঞ্চলের বিভিন্ন দেশেও রাশিয়ান ভাষার ব্যবহার রয়েছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও গবেষণার ক্ষেত্রে রাশিয়ান ভাষাজ্ঞান কাজে আসতে পারে। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বা পেশাজীবনের পরিকল্পনা থাকলে ভাষাটি শেখা উপকারী হতে পারে। বাংলাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট এবং রুশ বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানে রাশিয়ান ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে।
সরাসরি শিখবেন যেখানে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট: এখানে আরবি, চীনা, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, হিন্দি, ইতালীয়, জাপানি, কোরিয়ান, ফারসি, রুশ, স্প্যানিশ ও তুর্কি ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া সংক্ষিপ্ত সান্ধ্য কোর্স, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইংরেজি প্রি-ইন্টারমিডিয়েট এবং বিদেশিদের জন্য বাংলা কোর্স চালু আছে। ফি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য ৫৯৫০, রেজিস্ট্রেশন নাম্বারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ৮৫১৫ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য ৮৮১৫ টাকা। অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/seba.iml।
ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ: আন্তর্জাতিকমানের ইংরেজি ভাষা ও আইইএলটিএস প্রস্তুতি কোর্স পরিচালনা করে এই প্রতিষ্ঠান। ২৪ ঘণ্টার স্পোকেন ইংলিশ কোর্সের ফি ১৩৯০০ টাকা। জেনারেল ইংলিশ স্কিলস ও আইইএলটিএস কোচ কোর্সের ফি অনলাইনে ১১০০০ এবং সরাসরি ক্লাসে ১৮০০০ টাকা। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২০, ৪০ ও ৬০ ক্রেডিটের প্যাকেজের মূল্য যথাক্রমে ৩১১৫৯, ৫২৬৬৬ ও ৬৬৭৯০ টাকা। ওয়েবসাইট: www.britishcouncil.org.bd।
আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা: বিভিন্ন বয়স ও দক্ষতার শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রেঞ্চ ভাষার কোর্স পরিচালনা করে এই প্রতিষ্ঠান। সুপার ইনটেনসিভ (এ১, ৪০ ঘণ্টা) কোর্সের ফি ১১৫৫০ এবং ইনটেনসিভ বিগিনার কোর্সের ফি ১৪৮৫০ টাকা থেকে শুরু। বিওয়ান লেভেলের ৬০ ঘণ্টার অনলাইন কোর্সের ফি ১৩১৫০ থেকে ১৬৫৫০ এবং সশরীরে কোর্সের ফি ১৩১৫০ থেকে ১৪১৮০ টাকা। ওয়েবসাইট: www.afdhaka.org।
গ্যেটে-ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ: এখানে ‘এ১’ থেকে ‘সি১’ কোর্স পর্যন্ত জার্মান ভাষা শেখানো হয়। প্রতিটি কোর্সের ফি ২৭৩০০ টাকা। ৯ সপ্তাহব্যাপী কোর্সগুলোতে টিচিং ইউনিট রয়েছে ১৬০টি। ঢাকা ক্যাম্পাসে সরাসরি বা অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ আছে। যদিও বর্তমানে কোর্স সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। অনলাইনে যোগাযোগ: www.goethe.de/ins/bd/en/spr/kur.html।
রাশিয়ান হাউজ: রুশ ভাষায় কথা বলা, শোনা, পড়া ও লেখার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আধুনিক মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এখানে। কোর্স ফি ৮৫০০ থেকে ৯৫০০ টাকা। যোগাযোগ নম্বর: ৮৮০১৮১৭-২৯৪৫৯৫; ইমেইল: [email protected] । ওয়েবসাইট: https://bangladesh.rs.gov.ru/en।
অ্যাপে শেখার উপায়
গেমিফিকেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্পেসড রিপিটেশন প্রযুক্তির কারণে স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে ভাষা শেখা আরও সহজ ও ফলপ্রসূ হয়ে উঠেছে। নতুনদের পক্ষে ‘ডুয়োলিংগো’ খেলার ছলে শব্দভাণ্ডার ও ব্যাকরণের ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব। বাস্তব জীবনের কথোপকথন ও পেশাগত যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে ‘বাবেল’ গেম বেশ কাজের। আর ‘মেমরাইজ’ অ্যাপটি স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, জার্মান, ইতালীয়, ডাচ, পর্তুগিজ, জাপানিজ, কোরিয়ানসহ বিভিন্নভাষী নেটিভ স্পিকারদের ভিডিও এবং এআই প্র্যাকটিসের মাধ্যমে স্বাভাবিক উচ্চারণ ও বাস্তব ভাষা ব্যবহারে দক্ষ করে তোলে।
বিদেশি ভাষা শেখা এখন আর শুধু অতিরিক্ত কোনো শখের বিষয় নয়; সঠিকভাবে পরিকল্পনা করলে এটি ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ হয়ে উঠতে পারে। তবে কোন ভাষা শিখবেন, তা নির্ভর করবে আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য, পছন্দের দেশ, পেশাক্ষেত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর।



