ইন্টেরিয়র
অন্দরে গোলমহল

ছবি: সংগ্রহ
ঘরের ভেতরেও নেমে আসে বিশ্বকাপের ছোঁয়া। অন্দরমহলের এমন আবহ নিয়ে লিখেছেন তুলি রহমান
বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই মেতে ওঠেন প্রায় প্রতিটি বাড়ির সদস্যরা। খেলা দেখতে রাত জাগা, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, পরিবারের সবাইকে নিয়ে টিভির সামনে বসা— সব মিলিয়ে ঘরের ভেতরেও তৈরি হয় উৎসবের আবহ।
এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে স্মৃতি, উচ্ছ্বাস, চিৎকার, হারের হতাশা আর জয়ের আনন্দ। একটি গোলের মুহূর্তে ঘরের সবার একসঙ্গে চেঁচিয়ে ওঠা, শেষ মিনিটে নিঃশ্বাস আটকে রাখা কিংবা খেলা শেষে অনেক সময় ধরে আলোচনা— এসবই তৈরি করে আলাদা আবেগ। এ সময়ে অনেকে ঘরের সাজেও আনেন ফুটবলের ছোঁয়া। বড় কোনো পরিবর্তন নয়, ছোট ছোট কিছু ডিটেইলই বদলে দিতে পারে পুরো পরিবেশ। প্রিয় দলের রঙ, কয়েকটি পতাকা, ফুটবল মোটিফের কুশন কিংবা ম্যাচ দেখার ছোট্ট কর্নার— এতেই তৈরি করা সম্ভব বিশ্বকাপের আমেজ।
সবচেয়ে সহজ পরিবর্তন আসে রঙে। আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা, ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ, ফ্রান্সের নীল কিংবা পর্তুগালের লাল-সবুজ— প্রিয় দলের রঙ ছোট ছোট উপকরণে ব্যবহার করলে ঘরের ভেতরে ফুটবল উন্মাদনার ছাপ চলে আসবে। কুশন কাভার, টেবিল রানার, দেয়ালের ছোট পোস্টার, ফেইরি লাইট কিংবা রঙিন কাগুজে ডেকর— সব মিলিয়ে বসার ঘর হয়ে উঠতে পারে ম্যাচ নাইটের প্রাণকেন্দ্র।
বিশ্বকাপ উপলক্ষে কেউ কেউ এরই মধ্যে বাসায় আলাদা ‘ম্যাচ কর্নার’ তৈরি করছেন। টিভির সামনে ফ্লোর কুশন, বিনব্যাগ, হালকা আলো আর পাশে স্ন্যাকস রাখার ছোট টেবিল— এ সামান্য আয়োজনই খেলা দেখার অভিজ্ঞতাকে করে তুলতে পারে দারুণ উপভোগ্য। কেউ কেউ প্রিয় খেলোয়াড়ের পোস্টার বা জার্সিও ফ্রেম করে রাখতে পারেন দেয়ালে।
বারান্দা হয়ে উঠতে পারে বিশ্বকাপের আড্ডাস্থল। কয়েকটি ফেইরি লাইট, ছোট পতাকা আর আরামদায়ক বসার ব্যবস্থা— এ সামান্য পরিবর্তনেই রাতের ম্যাচ দেখার পরিবেশ করে তোলা সম্ভব অনেক প্রাণবন্ত।
বিশ্বকাপের আবহ ডাইনিংয়েও চলে এসেছে। ম্যাচ নাইটের জন্য অনেকে আলাদা স্ন্যাকস কর্নার সাজান। টিম কালারের কাপ, ফুটবল-প্রিন্টেড টিস্যু, ছোট পতাকা সেঁটে রাখা খাবার কিংবা বলের আকৃতির কেক— এসব ছোট বিষয় পুরো আয়োজনকে উৎসবমুখর করে তোলে।
শিশুদের জন্যও তৈরি করা যেতে পারে ছোট্ট ফুটবল কর্নার। ফুটবল আকৃতির কুশন, খেলোয়াড়ের পোস্টার, বলের মোটিফের লাইট— এগুলো তাদের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।




