মেয়াদ শেষেও কার্যক্রম চালাচ্ছে রাকসু, নিষেধ করল প্রশাসন

আজ ১১টি আবাসিক হল এবং জিমনেসিয়ামে ব্যায়ামের বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে রাকসু
মেয়াদ শেষ হওয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদের নামে কার্যক্রম পরিচালনা না করতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।
রাকসুর ব্যানারে আজ মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১টি ছাত্রাবাস ও জিমনেসিয়ামে বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণের পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনা এল।
তবে রাকসুর বর্তমান নেতৃত্ব দাবি করেছেন, পরবর্তী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তাদের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার এখতিয়ার রয়েছে।
গত বছরের ১৬ অক্টোবর রাকসু ও হল ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়েছিল। তাতে ভিপি ও এজিএসসহ ২০টি পদে জয়ী হয় ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল। জিএস হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার।
নতুন সংসদ ওই মাসেই দায়িত্ব নিয়েছিল। ফলে গত ২৬ অক্টোবর তাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভাষ্য।
প্রশাসনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্রসংগঠনের তৎপরতা চালানোর সুযোগ নেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাকসুর পক্ষ থেকে হল সংসদগুলোর মাধ্যমে জিমনেসিয়ামের সরঞ্জাম সরবরাহসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের খবর পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব তথ্য বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।
বিষয়টি উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাকসুর নামে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা বিধিসম্মত নয়।
এ বিষয়ে সদ্য মেয়াদোত্তীর্ণ রাকসুর সহ সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সালমান সাব্বির আগামীর সময়কে বলেছেন, ‘রাকসুর প্রতিটি কাজ এবং জিমনেসিয়ামের জন্য অর্থ উত্তোলন, সবই উপাচার্যের লিখিত অনুমোদনে হয়েছে। যারা আমাদের কাজের এখতিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাদের দাবি ভিত্তিহীন।’
তিনি দাবি করেন, ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরের নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান সংসদের দায়িত্ব পালনের আইনি বৈধতা রয়েছে।
প্রশাসনের বারণের ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মনে করলেন নিজেরােই দায়িত্ব ছেড়ে দিতে চান বলে জানান এই ছাত্রশিবির নেতা।
তিনি বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ক্ষমতা ধরে রাখতে চাই না। আমরা শুরু হওয়া কাজগুলো শেষ করে দ্রুত দায়িত্ব হস্তান্তরে প্রস্তুত।’




