ভিকারুননিসায় এইচএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ২ হাজার ২৩৮ শিক্ষার্থী। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৩৯ জন। প্রতিষ্ঠানটিতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।
গত বছর ভিকারুননিসা থেকে পাস করেন ২ হাজার ৪৩৪ শিক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ২ হাজার ৪৯৫ জন। অকৃতকার্য হন ৬১ জন। এতে পাসের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ।
আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে দেশের সব শিক্ষা বোর্ড থেকে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল।
পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বোর্ডের ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারছেন। বেলা ১২টা ২০ মিনিটের দিকে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন।
এ সময় তিনি বলেছেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১ হাজার ৮৩১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩৩ জন। পাস করেছেন ১ হাজার ৭০২ জন। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ২৭৪ জন। পাস করেছেন ২৬২ জন। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৫৫ জন। মানবিক বিভাগের পরীক্ষার্থী ছিল ২৯১ জন। পাস করেছেন ২৭৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৮ জন।
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সোহা তাসনিম জিপিএ-৫ পেয়েছেন। গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন তিনি। এই শিক্ষার্থীর মা তাসলিমা খাতুন বলেছেন, ‘আমার মেয়ের এসএসসির রেজাল্টও এমনই ছিল। ওর সবচেয়ে বড় কোয়ালিটি সে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেষ করে। যত রাত হোক, সে পড়া পরের দিনের জন্য ফেলে রাখে না।’
ফলাফল বিগত বছরের থেকে খারাপ হওয়ার কারণ কী, এমন প্রশ্নের জবাবে অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেছেন, আমাদের ত্রুটি রয়েছে কিন্তু আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করি ভালো করার জন্য, সবাইকে ধারণ করার চেষ্টা করি। যারা খারাপ ফল করেছে তার পেছনে কোনো না কোনো কারণ রয়েছে— সেটা আমরা খুঁজে বের করব।
তিনি বলেছেন, কভিড মহামারীর সময়ের পর থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসায় অনেকটা অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে কিন্তু অনেকেই পড়ালেখায় মনোযোগী থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় পড়েছে। এটাও ফলাফল খারাপ হওয়ার একটি কারণ হতে পারে।



