প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে থাইল্যান্ডের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

প্রাথমিক শিক্ষা খাতে গুণগত মান উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট মোকাবিলা এবং নেতৃত্বভিত্তিক প্রশিক্ষণ জোরদারে থাইল্যান্ডের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।
আজ বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান ভালো ফল করলেও সামগ্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের শেখার সক্ষমতা আরও উন্নত করার প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষক সংকট এবং দক্ষ নেতৃত্বের অভাব শিক্ষার মানোন্নয়নে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, থাইল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থার কার্যকর দিকগুলো সরাসরি পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব উন্নয়ন এবং কারিগরি সহযোগিতার বিষয়ে উদ্যোগ নেবে। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তোলার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।
থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত থিতিপর্ন চিরাসাওয়াদি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেন। তার ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের শেখার মান বৃদ্ধি, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং বিদ্যালয় নেতৃত্ব উন্নয়নে বাংলাদেশ যে গুরুত্ব দিচ্ছে, তা ইতিবাচক উদ্যোগ।
তিনি আরও জানান, শিক্ষা খাতে অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের জন্যই উপকারী হতে পারে। থাইল্যান্ড তাদের শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা বাংলাদেশকে জানাতে ও সহযোগিতা করতে আগ্রহী।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং থাইল্যান্ড দূতাবাসের কর্মকর্তারা।





