ইসলামিক ফাইন্যান্সের ছয় মাসে লোকসান কমেছে ৯৪ শতাংশ

সংগৃহীত ছবি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) লোকসান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। একই সঙ্গে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানিটি মুনাফায় ফিরেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটির প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৬ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি লোকসান কমেছে ১ টাকা ১ পয়সা বা প্রায় ৯৪ শতাংশ।
এদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৮৭ পয়সা মুনাফা করেছে। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি ৪৫ পয়সা লোকসান হয়েছিল। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা, যা প্রায় ২৯৩ শতাংশ উন্নতি নির্দেশ করে।
গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩৩ পয়সা।
যদিও চলতি বছরের প্রথমার্ধে লোকসান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, তবুও কোম্পানিটি এখনো সামগ্রিকভাবে লোকসানে রয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে দীর্ঘ লোকসানের ধারা কাটিয়ে কোম্পানিটি ৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা, অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি ৩৯ পয়সা মুনাফা করেছিল। তবে ২০২৪ সালে কোম্পানিটির লোকসান হয়েছিল ১৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ১২ টাকা ২২ পয়সা। এর আগের বছর ২০২৩ সালে লোকসান ছিল ২৩ কোটি ২ লাখ টাকা, যা শেয়ারপ্রতি ১ টাকা ৬৪ পয়সা।
ধারাবাহিক দুর্বল আর্থিক অবস্থার কারণে ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। ফলে বর্তমানে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে অবস্থান করছে।
২০০৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামিক ফাইন্যান্সের পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৬৯ দশমিক ১৮ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের বাইরে সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ বাজারদর ছিল ১১ টাকা ১০ পয়সা।




