৫২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাচ্ছে আরপিসিএল

সরকারের বৃহত্তর জ্বালানি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (আরপিসিএল)। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট চালু, গ্যাস সরবরাহের অবকাঠামোগত জটিলতা নিরসন, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এগিয়ে নেওয়া এবং নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। আগামী এক বছরে কোম্পানিটির প্রায় ৫২০ মেগাওয়াট নতুন উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে আরপিসিএল ও আরএনপিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ ২১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের জিটি-৪ ইউনিটটি সংকোচক যন্ত্রে গুরুতর ক্ষতির কারণে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল থেকে বন্ধ ছিল। মূল যন্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কারিগরি সহায়তা ও আরপিসিএলের প্রকৌশলীদের প্রচেষ্টায় মেরামতের পর ২০২৬ সালের ৬ জুন ইউনিটটি উৎপাদনে ফেরে। এতে ইউনিটটির সচল থাকার হার ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০০ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহ ৩৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় ধনুয়া-ময়মনসিংহ ২০ ইঞ্চি গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পটি ভূমি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে ছিল। পরে সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জটিলতা নিরসন করা হয়। ১৩ মে একনেকে সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদনের পর ২৯ জুন চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। কেন্দ্রটির নির্মাণকাজের অগ্রগতি এখন ৯০ শতাংশ।
তিনি জানিয়েছেন, মাদারগঞ্জের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি ২০২৫ সালের ২০ আগস্ট স্থগিত হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি আবার চালু করা হয়। পরে দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন হয়েছে এবং প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০২৭ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। পটুয়াখালীর ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও একপর্যায়ে বন্ধ ছিল।
এ এইচ এম রাশেদ জানিয়েছেন, আরপিসিএলের সামনে এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য— আগামী এক বছরে প্রায় ৫২০ মেগাওয়াট নতুন উৎপাদন সক্ষমতা যুক্ত করা।





