প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে সাইবার নিরাপত্তা ও সিটিএফ কর্মশালা

সংগৃহীত ছবি
ডিজিটাল যুগে ক্রমবর্ধমান সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণদের দক্ষ করে তুলতে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘সাইবার নিরাপত্তা ও সিটিএফ'র পরিচিতি’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলশান ক্যাম্পাসের ৪০১ নম্বর সেমিনার হলে আয়োজিত এ কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ছিল।
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের সহযোগিতায় এবং পিইউ সাইবার সিকিউরিটি ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ও সিএসই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম খান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালার মূল প্রশিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেশিন লার্নিং রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ার আবরার জাহিন সরকার সাইবার নিরাপত্তার মৌলিক ধারণা, বর্তমান বিশ্বের সাইবার ঝুঁকি, এথিক্যাল হ্যাকিং এবং ক্যাপচার দ্য ফ্ল্যাগ (সিটিএফ) প্রতিযোগিতা সম্পর্কে আলোচনা করেন।
তাত্ত্বিক উপস্থাপনার পাশাপাশি বাস্তব উদাহরণ ও হাতে-কলমে অনুশীলনের মাধ্যমে তিনি দেখান, কীভাবে একটি ছোট নিরাপত্তা দুর্বলতাও বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
কর্মশালার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক এবং পিইউ সাইবার সিকিউরিটি ক্লাবের মডারেটর মোস্তফা কামাল সাগর। তার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালার উদ্দেশ্য ছিল শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তা চর্চার সঙ্গে পরিচিত করে তোলা।
বক্তারা বললেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডিজিটাল সেবার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়জীবন থেকেই এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারবেন।
কর্মশালার শেষ পর্বে পিইউ সাইবার সিকিউরিটি ক্লাবের ‘একটি ভিডিও, একজন সদস্য’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ই-সার্টিফিকেট, ক্লাবের স্মারক কলম এবং আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। পুরস্কার বিতরণ ও অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের নিয়মিত কর্মশালা ও প্রযুক্তিভিত্তিক আয়োজন শিক্ষার্থীদের শুধু দক্ষ পেশাজীবী হিসেবেই নয়, বরং নিরাপদ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের অংশীদার হিসেবেও গড়ে তুলবে।




