বিটাকে সনদ বিতরণী ও জব ফেয়ার: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি পেলেন অর্ধশতাধিক তরুণ-তরুণী

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) কর্তৃক পরিচালিত ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন পোগ্রাম (এসআইসিআইপি)’ প্রকল্পের আওতায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সম্পর্কিত অ্যাডভান্সড ট্রেনিং পোগ্রামের ৬ষ্ঠ ব্যাচ এবং বেসিক ট্রেনিং পোগ্রামের ৩য় ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের কোর্স সমাপনী, সনদপত্র ও নিয়োগপত্র বিতরণ এবং জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৩ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিটাক, ঢাকা-এর অ্যাডভান্সড ট্রেনিং অ্যান্ড ইনোভেশন কমপ্লেক্স (এটিআইসি) ভবনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিটাকের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফিরোজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন এসআইসিআইপির সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মৌরীন করিম এবং বিটাক, ঢাকার পরিচালক ও কেন্দ্র প্রধান ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. মাজহারুল হাবীব।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিটাকের পরিচালক ও পিআইইউ, এসআইসিআইপি-বিটাকের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মো. ফজলুল করিম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিটাকের পরিচালক ও পিআইইউ, এসআইসিআইপি-বিটাকের অতিরিক্ত প্রোগ্রাম ডিরেক্টর পবিত্র কুমার কবিরাজ। এ ছাড়াও দেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো ফিরোজ উদ্দিন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি দেশের শিল্পখাতে প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী একাধিক নতুন প্রশিক্ষণ কোর্স বিটাকে চালুর বিষয়ে তিনি এসআইসিআইপি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
আলোচনা সভা শেষে সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারী ২০০ প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষণার্থীর হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়।
আয়োজিত জব ফেয়ারে সিঙ্গার বাংলাদেশ, আকিজ গ্রুপ, ওয়ালটন, স্কয়ার গ্রুপ, এসিআই পিএলসি, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোন, সার্বিক বিপিও লিমিটেড, বিএসএন (বাংলাদেশ) প্যাকেজিং কোম্পানি লিমিটেড ও নাবিল গ্রুপসহ দেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অংশগ্রহণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান, বিটাকের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি থেকে দক্ষ জনবল নিয়োগের অভিজ্ঞতা তাদের ইতিবাচক। অতীতেও তারা নিয়মিত এ কর্মসূচির প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়োগ দিয়েছেন এবং তাদের কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্ব অত্যন্ত সন্তোষজনক। ফলে ভবিষ্যতেও এ কর্মসূচি থেকে দক্ষ জনবল নিয়োগের আগ্রহ অব্যাহত থাকবে বলে তারা ব্যক্ত করেন।




