প্রণোদনা দিয়ে ৩৯ হাজার আখচাষীর আস্থা ফিরিয়ে এনেছি : বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান

লোগো
আখের মূল্য ও প্রণোদনার অর্থ সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ৩৮ হাজার ৯৫০ জন আখচাষীর আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান মো. শামছুজ্জামান।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে বিএসএফআইসির সদর দপ্তরের বোর্ডরুমে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন তিনি। বিএসএফআইসির জিয়া পরিষদের উদ্যোগে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।
ব্রিফিংয়ে চেয়ারম্যান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মহান উদ্যোগ আমাদের চিনি শিল্প এবং লাখ লাখ আখচাষীর জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ। ৩৮ হাজার ৯৫০ জন আখচাষীর হাতে সময়মতো প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দিয়ে আমরা চাষীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।
‘বিএসএফআইসি পরিবার প্রধানমন্ত্রীর এই ভিশন বাস্তবায়নে শতভাগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চিনি শিল্পকে লাভজনক ও আধুনিক খাদ্য হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে’, যোগ করেন বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, দেশের চিনি শিল্পকে স্বাবলম্বী করা এবং প্রান্তিক আখচাষীদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে ৩৮ হাজার ৯৫০ জন আখচাষীর কাছে আখের মূল্য ও প্রণোদনার অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
বিএসএফআইসির পরিকল্পনা ও কার্যক্রমের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেছেন, করপোরেশন চিনিকলগুলোর মাড়াই সক্ষমতা বৃদ্ধি, আখের আবাদ সম্প্রসারণ, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং চাষীদের সরাসরি সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
করপোরেশনের সাম্প্রতিক উদ্যোগের ফলে চিনিকলসংলগ্ন এলাকাগুলোতে আখ চাষে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে বলে ব্রিফিংয়ে উল্লেখ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসির পরিচালক (ইক্ষু উন্নয়ন ও গবেষণা) ও যুগ্মসচিব ড. আদল আলীম খান, পরিচালক (উৎপাদন ও প্রকৌশল) ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাঈদ-উর-রহমান, পরিচালক (অর্থ) ও যুগ্মসচিব তানভীর আক্তার, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সাইফুর রহমান খান এবং করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। এ ছাড়া সংস্থার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং জিয়া পরিষদের সভাপতি কৃষিবিদ মো. আবু রায়হান, সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম রব্বানী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফ সরকার জুয়েল উপস্থিত ছিলেন।



