আগামীর সময়

এ নিয়ে পাঁচবার!

এ নিয়ে পাঁচবার!

সংগৃহীত ছবি

ফের স্থগিত হলো বহুল আলোচিত চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন। আগামী ৪ এপ্রিল চট্টগ্রামভিত্তিক ব্যবসায়ীদের এ সংগঠনের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে চেম্বারের নির্বাচনী বোর্ড ২ এপ্রিলের এক আদেশে নির্বাচন স্থগিত করেছে। এ নিয়ে পাঁচ দফা চেম্বার নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর স্থগিত হলো।

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন স্থগিতের কারণ হিসেবে উচ্চ আদালতের সর্বশেষ আদেশের প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম আগামীর সময়কে জানান, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে স্থগিত করা হয়েছে নির্বাচন। এর আগে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ৩ মার্চ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছিলাম ৪ এপ্রিল। এখন সেটি স্থগিত হয়ে গেলো। পরবর্তী নির্দেশনা আদালতের মাধ্যমেই নিস্পত্তি হবে।’

ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনে দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ অংশ নিচ্ছে। একটি এফবিসিসিআই এবং চেম্বারের সাবেক নেতা আমিরুল হকের নেতৃত্বে ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’ এবং অন্যটি বিজিএমইএ’র সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বে ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’। দুটি প্যানেলের টানাপোড়েন হচ্ছে চেম্বারের ট্রেড এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ঘিরে।

এ টানাপোড়েনের কারণে বিষয়টি উচ্চ আদালত থেকে নিম্ন আদালত, এমনকি আরবিট্রেশন পর্যন্ত গড়িয়েছে।

সবশেষ উচ্চ আদালতের রায়ে ট্রেড ও টাউন অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকারিতা যাচাইয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরবিট্রেশন রিপোর্ট আমলে নিতে বলা হয়েছে।

সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের এস এম নুরুল হক বলছেন, আমাদের আপত্তি হচ্ছে চট্টগ্রাম চেম্বারের টাউন অ্যান্ড ট্রেড গ্রুপের অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে। সেই দুটি গ্রুপ আগে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আরবিট্রেশন ট্রাইবুনাল পুণরায় সত্যতা যাচাইয়ে যদি ভুয়া প্রমাণিত হয় তাহলে সেই দুটি গ্রুপ বাদ দিয়ে নতুন করে নির্বাচনের দাবি জানাই।

তিনি বলছেন, অস্তিত্বহীন সংগঠনের নামে দুটি গ্রুপ নির্বাচন করতে পারলে আমরা তো সঠিকভাবে, সব ডক্যুমেন্ট জমা দিয়ে বৈধভাবে নির্বাচন করাটা বৈষম্য। এটি বন্ধ করা উচিত।

ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের প্রার্থী এবং গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বারভিডার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহরমান আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, আমরা সবসময়ই তৃণমূল ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি নির্বাচনের পক্ষে। আমরা কখনো মামলা করিনি। আমাদের প্রতিপক্ষ প্যানেলই মামলা করতে অভ্যস্ত। আমরা মামলা নিস্পত্তি করে চট্টগ্রাম চেম্বারের সংঘবিধি অনুযায়ী নির্বাচনের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি। প্রশাসকের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ সংগঠন আমরা আমলা দিয়ে চালাতে চাই না।

    শেয়ার করুন: