আমদানি নীতি আদেশ পরিমার্জনে মন্ত্রিসভা কমিটি

সংগৃহীত ছবি
আমদানি নীতি আদেশ (২০২৬-২৯) পরিমার্জনের জন্য চার সদস্যের মন্ত্রিসভার নতুন কমিটি গঠন করেছে সরকার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং কৃষি ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদের নতুন আমদানি নীতি আদেশের খসড়া পরিমার্জনের দায়িত্ব পালন করবে এ কমিটি। প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা আয়োজনের ক্ষমতাও থাকবে তাদের।
এর আগে ২০২১-২৪ মেয়াদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল জারি করা হয়, যা ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কার্যকর ছিল। পরে ২০২৫-২৮ নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতি, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নতুন নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
জানা যায়, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নতুন নীতিতে বাণিজ্য সহজীকরণ ও উদারীকরণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। যার মধ্যে ছিল ঋণপত্র (এলসি) ছাড়াই বিক্রয় চুক্তির (সেলস কনট্রাক্ট) ভিত্তিতে যেকোনো পরিমাণ অনুমোদিত পণ্য আমদানির সুযোগ। তখন এলসি ছাড়া সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত বাণিজ্যিক আমদানি করা হয়েছিল। এ ছাড়া পাঁচ বছরের বেশি পুরনো গাড়ি আমদানির সুযোগ, পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পের কাঁচামাল ইথাইলিন ও প্রোপাইলিন আমদানির বিধান এবং পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে হাইড্রোলিক হর্নের শব্দমাত্রা সীমিত করার প্রস্তাবও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। নতুন নীতিতে গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য পৃথক এইচএস কোড নির্ধারণ, পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার নিশ্চিত করে পুরনো ব্যাটারি আমদানির সুযোগ এবং পাম অলিন আমদানিতে বিএসটিআই সনদের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছিল।




