বিবিএসের ত্রৈমাসিক হিসাব
জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমল
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে ধস

ছবিঃ আগামীর সময়
অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক নানা কারণে ধাক্কা লেগেছে দেশের উৎপাদন কার্যক্রমে। ফলে কমেছে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি। চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির এ হার দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ০৩ শতাংশে।
প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) এটি ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তবে গত অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে এ হার ছিল ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কিউজিডিপি প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি।
বিবিএসের প্রতিবেদনে খাতভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ২ দশমিক ১১ শতাংশ। এ খাতে বেশি হয়েছে প্রবৃদ্ধি। শিল্প খাতে দ্বিতীয় প্রান্তিকের প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ২৭ শতাংশ, যা প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ খাতে ধস নেমেছে প্রবৃদ্ধিতে।
এছাড়া সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা তার আগের প্রান্তিকে ছিল ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ।
বিবিএস জানিয়েছে, সাময়িক হিসাবে চলতি মূল্যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে, ১৫ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা। যেটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা।
এদিকে চলমান ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে আরও কমে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে দেশের প্রবৃদ্ধির গতি। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মতো গতিহীন হয়ে পড়বে বাংলাদেশের অর্থনীতিও।
রবিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সন্মেলন কক্ষে এলডিসি উত্তরণ সংক্রান্ত এক বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নিজেও বলেছেন, মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ তৈরি করেছে বর্তমান জ্বালানি সংকট।















