সেমিনারে বক্তারা
ই-জিপি সফল করতে দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই

বিপিপিএর সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি
‘ই-জিপি সফল করতে দক্ষতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারসহ সবপক্ষেরই সচেতনতা ও দক্ষতা দরকার।’
বংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষের (বিপিপিএ) সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ই-জিপি আধুনিকায়নে অংশীজন পরামর্শমূলক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বিপিপিএ সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।
বিপিপিএ আয়োজিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিালেন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিপিপিএর পরিচালক শাহ ইয়ামিন উল ইসলাম। ‘সরকারি ক্রয়ের আইনগত কাঠামো : ই-জিপি ব্যবস্থার অর্জন, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক প্রবন্ধে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সেমিনারে জানানো হয়, বিপিপিএর জন্য প্রস্তাবিত ১১০-সদস্যবিশিষ্ট জনবল কাঠামো (অর্গানোগ্রাম) অনুমোদনের পর্যায়ে রয়েছে। তবে নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, আইন পরিপালন তদারকি, প্রশিক্ষণ, গবেষণা, নীতিনির্ধারণ এবং দেশব্যাপী সক্ষমতা উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ জনবল পর্যাপ্ত নয়। সরকারি সেবার দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়াতে ই-জিপি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে অন্যান্য সরকারি স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল সিস্টেমের অধিক আন্তঃসংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি বলেছেন, বিপিপিএর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রক ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় (ই-জিপি) ব্যবস্থার আধুনিকায়নে অংশীজনের কার্যকর পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে সরকারি ক্রয় আইন এবং সরকারি ক্রয় বিধিমালায় সংশোধন আনতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ক্রয় একটি সীমিত গোষ্ঠীর অংশগ্রহণের উপর নির্ভর ছিল। সিন্ডিকেট বা কতিপয় তন্ত্র তৈরি হয়েছিল। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে অধিকতর উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ বলেছেন, বিপিপিএ বর্তমান ই-জিপি প্ল্যাটফর্মকে প্রযুক্তিনির্ভর, নাগরিকবান্ধব এবং সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় রূপান্তরে কাজ করা হচ্ছে। দেশব্যাপী ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও মতামত অন্তর্ভুক্ত করতে ধারাবাহিক অংশীজন পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সিরাজুন নূর চৌধুরী বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের প্রধান দুটি কারণ হলো ভূমি অধিগ্রহণ এবং ক্রয় কার্যক্রমে বিলম্ব। আমরা ক্রয় কার্যক্রম সহজীকরণ করার চেষ্টা করছি।




