বাণিজ্যমন্ত্রী
চামড়া পাচার রোধে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে

ছবি: আগামীর সময়
শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘যে সমস্ত জায়গায় চামড়াগুলো এসে জড়ো হচ্ছে, সেখানে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে। সেজন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি মনিটরিং সেল করেছি এবং সার্বক্ষণিকভাবে আমাদের কিছু কর্মকর্তা সেখানে কাজ করছেন।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাভারের আমিন বাজার বাসস্ট্যান্ডে চামড়ার আড়ত পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘প্রত্যেক এলাকার জেলা প্রশাসক ও বিসিকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ আছে। ঢাকায় ও জেলা সদরগুলোতে আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। চামড়া অক্ষত রেখে লবণ মাখিয়ে সংরক্ষণ করে সময়মতো যাতে রপ্তানি করতে পারি, সেই উদ্দেশ্যে আমরা কাজ করছি।’
মন্ত্রী মুক্তাদির জোর দেন, আগামী দিনে কোরবানির পশুর চামড়া শতভাগ সংরক্ষণ, রপ্তানি খাতে এর সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে সাভার ট্যানারি শিল্পনগরীর সিইটিপি সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান জরুরি। একইসঙ্গে হাজারীবাগ থেকে স্থানান্তরিত হয়ে যেসব ট্যানারি রুগ্ন হয়ে পড়েছে কিংবা এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে উৎপাদন শুরু করতে পারেনি, সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে পুনর্বাসন, আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা দিতে হবে। পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা গেলে দেশের চামড়া শিল্প আবারও রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
আজকে যেটি এক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিখাত সেটিকে ১০-১২ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানিখাতে রূপান্তরিত করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।
চামড়ার সরকারি মূল্য নির্ধারণ নিয়ে মন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা যেদিন চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করি সেদিন চামড়া সংশ্লিষ্ট সমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা ও নেতারা উপস্থিত ছিলেন।’







